গোবিন্দগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষকে অপসারণের দাবিতে সভা

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিকের অপসারণ, সুবর্ণ জয়ন্তী ও পুনর্মিলনীর নামে অনিয়ম—দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অধ্যক্ষ কতৃর্ক কলেজের মেধাবী ছাত্র রেজাউল কমির রেজাকে শারীরিক নির্যাতনের প্রতিবাদে এলাকাবাসী ও ছাত্রসমাজের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় বক্তারা সুজাত আলী রফিককে কলেজের অবৈধ অধ্যক্ষ বলে আখ্যায়িত করে তাদের বক্তব্যে কলেজের ৫০ বছর পূর্তি উপলেক্ষে গত ৩১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সুবর্ণ জয়ন্তী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের নামে দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ—লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক। স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি প্রায়ই এলাকার মানুষকে করেছেন অবমূল্যায়ন। সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানের ২২দিন অতিবাহিত হলেও আয়—ব্যয়ের কোন হিসাব দিতে পারেননি তিনি। তুচ্ছ ঘটনায় কলেজের মেধাবী ছাত্র রেজাউল করিম রেজাকে নির্দয়ভাবে শারীরিক নির্যাতন করে পুলিশে দিয়েছেন। যা ছাত্র—শিক্ষকের মধুর সম্পর্কের পরিপন্থি। এ অবৈধ ও উগ্র মেজাজী অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিককে এ কলেজে আর দেখতে চায় না এলাকার মানুষ।
শনিবার বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজ গেটে সামনে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাজী নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ছায়াদ মিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল, স্থানীয় মুজিবুর রহমান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুস সহিদ মুহিত, কাজী আব্দুস সামাদ, শাহীনুর রাজা চৌধুরী, সুন্দর আলী বুলবুল, পীর আমিনুল হক টুনু, ফরিদ উদ্দিন, ওবায়দুর রউফ বাবলু, আশরাফুর রহমান এনাম, আলী আশরাফ তাহিদ, আবু বক্কর রাজা, সদরুল আমিন সোহান, আব্দুল গাফফার, জাহিদ হাসান ডালিম, কলেজ ছাত্র এমদাদুর রহমান, আশরাফ হোসেন প্রমুখ। প্রতিবাদ সভায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।