জগন্নাথপুরে ফাঁদে ধরা পড়লো মেছোবাঘ

জগন্নাথপুর অফিস
কিছুদিন ধরে গ্রামে ঘুরছিল মেছোবাঘটি। গত কয়েকদিন ধরে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে হানা দিয়ে হাঁস, মুরগি ও ছাগল ধরে নিয়ে যেত। মেছোবাঘের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন গ্রামের অনেকে। অবশেষে ফাঁদ পেতে লোহার খাঁচায় বন্ধ করা হয়েছে মেছোবাঘটি। সোমবার জগন্নাথপুর উপজেলার আধুয়া গ্রামে ওই মেছোবাঘ ধরা পড়ে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নে আধুয়া গ্রামে সম্প্রতি একটি মেছোবাঘ ঘোরাঘুরি করছিল। প্রায় প্রতিদিন গ্রামের বাড়িতে ঢুকে হাঁস মুরগি ধরে নিয়ে খেতো। মেছোবাঘটির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন অনেকেই। অবশেষে ওই গ্রামের জালাল আহমদ নামের এক যুবক তাঁর বাড়ীর লোহার খাঁচায় তৈরী করে খাঁচার ভেতরে সোমবার ভোররাতে হাঁস ও মুরগি বেঁধে খাঁচার দরজা খুলে রাখেন। সকাল সাতটার দিকে মেছোবাঘটি যখন খাঁচার ভেতরে থাকা মুরগি ও হাঁস খেতে প্রবেশ করে তখনই ওই যুবক খাঁচার দরজা বন্ধ করে দেন।
গ্রামের যুবক জালাল আহমদ জানান, বেশ কিছুদিন ধরে গ্রামের অনেকের বাড়িতে মেছোবাঘটি ঢুকে হাঁস মুরগি ও ছাগল ধরে নিয়ে খেত। আমাদের দেশীয় ১৫ থেকে ২০টি হাঁস ও মুরগি খেয়েছে। অবশেষে ফাঁদ পেতে আমি মেছোবাঘ ধরেছি। তিনি জানান, মেছোবাধ ধরে এখন বিপাকে পড়েছি। সুনামগঞ্জ বন বিভাগের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, তাঁরা বলছেন মেছোবাঘটি জেলায় নিয়ে যেতে তাঁরা আসতে পারবেন না। মেছোবাঘ ধরতে পেরে আনন্দ লাগছিল কিন্তু এখন এটা নিয়ে বেকায়দায় আছি। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে বনবিভাগের লোকজনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তারা এসেছে মেছোবাঘটি নিয়ে যাবে।