মারামারি মামলার সাক্ষী হওয়ায় জেরে প্রাণ গেল ছেলের

জগন্নাথপুর অফিস
জগন্নাথপুরে একটি মারামারি মামলার সাক্ষী হওয়ায় ওই মামলার আসামি পক্ষের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন সাক্ষীদাতার ছেলে মিশুকগাড়ীর চালক সুজন মিয়া (৩০)।
সোমবার দুপুরে লাশ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নে লহরী নোওয়াগাঁও গ্রামের খলিল উদ্দিনের সাথে একই গ্রামের নুর মিয়ার প্রায় দেড় মাস আগে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে এক মারামারির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে খলিল উদ্দিন বাদী হয়ে নুর মিয়াকে আসামি করে জগন্নাথপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় সাক্ষী ছিলেন আশক আলী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন নুর মিয়া। তিনি আশক আলী কে দেখলে গালিগালাজ করতে থাকেন। রবিবার দুপুরে আশক আলীর একটি গরু নুর মিয়ার বাড়িতে গেলে নুর মিয়ার লোকজনের সাথে আশক আলীর লোকজনের কথা কাটাকাটি ও মারামারি হয়। যার জের ধরে রবিবার সন্ধ্যায় আশক আলীর ছেলে সুজন মিয়াকে মারধর করে নুর মিয়ার লোকজন। পরে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তিনি মারা যায়।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় মামলা দায়ের ও আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।