জনশুমারি ও গৃহগণনা উপলক্ষে র‌্যালি

স্টাফ রিপোর্টার
‘জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর উদ্বোধন উপলক্ষে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনশুমারির জন্য মাঠ—পর্যায়ে ১৫—২১ জুনের মধ্যে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গণনাকারীরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন এবং কোনো অনুরোধ থাকলে গণনাকারীরা রাতেও মানুষের বাড়িতে যাবেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ডিজিটাল পদ্ধতিতে সপ্তাহব্যাপী জনশুমারি পরিচালনা করছে।
বুধবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রকল্প, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো; পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
র‌্যালিতে জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপপরিচালক কামাল উদ্দিন সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, অনাবাসী বাংলাদেশীদের কাছ থেকেও মৌলিক তথ্য জনশুমারিতে সংগ্রহ করা হবে। জনশুমারি পরিচালনার জন্য ওয়েব—ভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সেন্সাস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইসিএমএস) এবং ভৌগোলিক তথ্য সিস্টেম (জিআইএস) ইতোমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে এবং গণনা এলাকার জন্য নিয়ন্ত্রণ মানচিত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে। এই জনশুমারিতে ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা ভিত্তিক ডিজিটাল মানচিত্র ব্যবহার, ডিজিটাল ডিভাইস ‘ট্যাব’ ব্যবহার করে কম্পিউটার সহায়ক পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের সকল পরিবারের তথ্য একযোগে সংগ্রহ করা হবে। জনশুমারি কার্যক্রমের অধীনে জনসংখ্যাগত এবং আর্থ—সামাজিক তথ্য যেমন পরিবারের সংখ্যা এবং তাদের ধরণ, বাড়ির মালিকানা, পানীয় জলের প্রধান উৎস, টয়লেট সুবিধা, বিদ্যুৎ সুবিধা, রান্নার জন্য আগুনের প্রধান উৎস, অর্থনৈতিক কার্যক্রম, অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স, বয়স, পরিবারের সদস্য, লিঙ্গ, বৈবাহিক অবস্থা, ধর্ম, প্রতিবন্ধিতা, শিক্ষা, কাজ, প্রশিক্ষণ, মোবাইল ফোন, এবং ইন্টারনেট ব্যবহার, ব্যাংক/মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট, ক্ষুদ্র—নৃ—গোষ্ঠী, জাতীয়তা এবং বিভিন্ন জেলাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে।