তাহিরপুরে পাহাড়ি ঢলে ৬ হাজার একর রোপা আমন বিনষ্ট

স্টাফ রিপোর্টার, তাহিরপুর
তাহিরপুরে ফের পাহাড়ী ঢলের পানিতে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অপরদিকে উপজেলার বালিজুড়ি,বাদাঘাট,উত্তর বড়দল, তাহিরপুর সদর ও শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নসহ ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৬ হাজার একর রোপা আমন জমি পানির নীচে তলিয়ে গেছে। তবে উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, ৩’শ একর রোপা আমন জমি পানির নীচে তলিয়েছে। গত দিনদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে সীমান্তের যাদুকাটা নদী উপচে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের আনোয়ারপুর সেতুর এপ্রোচের ১০০ মিটার রাস্তা ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকেই তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। রাস্তায় চলাচলকারী লোকজন নৌকাযোগে পারাপার হচ্ছে।
আনোয়ারপুর সেতু সংলগ্ন আনোয়ারপুর বাজারের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য মিলন তালুকদার বলেন, গত তিনদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ঢলের পানির থোরে আনোয়ারপুর সড়কের এপ্রোচের ১০০ মিটার সড়কটি তলিয়ে যায়।
বাদাঘাট ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শের আলী বলেন, ইউনিয়নের সোহালা ইসবপুর, নূরপুর, লামাপাড়া, নাগরপুর, সোনাপুর, ননাই, ভূলাখালি গ্রামের প্রায় ৭’শ একর জমি রোপা আমন ধান ২য় দফা পাহাড়ি ঢলে বিনষ্ট হয়ে গেছে। তিনি তাদের ক্ষতিপূরনের বিষয়টি নজরে আনার জন্য সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো দাবি জানান। তিনি আরো জানান, তাদের রোপা আমন জমি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি তাদের বসত বাড়িতেও ঢলের পানি উঠেছে।
উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বলেন, তার ইউনিয়নের প্রায় ৮’শ একর রোপা আমন জমি পানির নীচে তলিয়ে গেছে।
বালিজুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণকূল গ্রামের সমাজসেবক জিয়া উদ্দিন বলেন, বালিজুড়ি ইউনিয়নে প্রায় ১’হাজার একর রোপা আমন জমি পানির নীচে তলিয়ে গেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসান-উদ-দৌলা বলেন, সম্প্রতি পাড়ি ঢলে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৩’শ একর জমি পানির নীচে তলিয়ে গেছে।