তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়ক/ সড়কে গর্ত করে চাটাই নির্মাণ!

স্টাফ রিপোর্টার, তাহিরপুর
ফেরী পারাপারে টাকা আদায়ের লক্ষে চলাচলের সড়কে গর্ত করে চাটাই নির্মাণ করে দিচ্ছে কথিত ইজারাদার। তাহিরপুর উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়ক। এই সড়ক দিয়ে উপজেলার আড়াই লক্ষাধিক লোকজন চলাচল করে থাকে। ২০১৭ সালের বন্যায় সড়কের পাতারগাঁও নামক স্থান পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে ভেঙ্গে যায়। এরপর ২০১৮ সাল থেকেই প্রতি বছর হেমন্তকাল অর্থাৎ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত লোকজনকে ফেরী পারাপারে ইজারা দেয়া হয়। শুধু যাত্রীদের নিকট থেকে দুই টাকা ও মোটরসাইকেলসহ যাত্রীদের নিকট থেকে ১০ টাকা করে আদায়ের নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু নেয়া হচ্ছে ৫ টাকা ও ২০ টাকা। ২০২২ সালে আজিজুল নামে এক ব্যক্তিকে তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসন থেকে সড়কটি ইজারা নেয়। এ বছর পানি আগাম চলে যাওয়ার কারণে নভেম্বরের ২০ তারিখ থেকেই লোকজন শুকনো রাস্তা দিয়ে মোটর সাইকেল চালিয়ে বাদাঘাটে আসা যাওয়া করছে।
এ রাস্তায় চলাচলকারী তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের ভাটি তাহিরপুর গ্রামের আবিকুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার পাতারগাঁও রাস্তা দিয়ে মোটর সাইকেল চালিয়ে বাদাঘাটে আসা যাওয়া করেছি। শনিবার সকালে আবার বাদাঘাট যেতে ওখানে গিয়ে দেখি অনেক লম্বা গর্তের উপরে বাঁশের চাটাই তৈরী করছে ইজারাদারের লোক আব্দুছ ছালাম।
এসমসয় ওখানে গর্ত কিভাবে হলো শুক্রবার তো আমি এ রাস্তা দিয়ে মোটর সাইকেল চালিয়ে যাতায়াত করেছি, আজ এ অবস্থা কেন ? আব্দুছ ছালামকে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, গত রাত্রে দুটি ট্রাক এসে এখানে এসে গর্ত করে ফেলেছে। এ জন্য তারা চাটাই তৈরী করছেন।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ মৌসুমে এ রাস্তা দিয়ে কখনো ট্রাক চলাচল করে না। ইজারাদার লোকজনের কাছ থেকে টাকা উঠানোর লক্ষে শুক্রবার রাতে তারা নিজেরাই ওখানে গর্ত তৈরী করছে।
এ বিষয়ে বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন, তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কটি উপজেলা প্রশাসন প্রতি বছর ইজারা দিয়ে থাকে। এ বিষয়ে তার জানা নেই বলে জানান।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুপ্রভাত চাকমা সরজমিন দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।