- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://sunamganjerkhobor.com -

দায়িত্বশীলরা বলেছেন জনস্বার্থে, কেউ বলছেন পাহাড় ধ্বসবে

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় টিলা কেটে নতুন সড়ক নির্মাণ করায় টিলাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার একাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন জহুরা বেগম নামের এক কৃষাণী। সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের রংপুর এলাকার কান্দিগাঁও হযরত শাহ আরেফিন (রহ.) মোকামের সীমানা প্রাচীরের পাকা পিলার ঘেঁষে এই কৃষাণীর বাড়ি। রোববার জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবরে এমন অভিযোগ করেন তিনি। গত ২১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার এই টিলা কাটার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অবশ্য জানিয়েছেন, জনস্বার্থে এই টিলা কেটে সড়ক করা হয়েছে।

অভিযোগকারী জহুরা বেগম জানান, আমার বসতঘর, গাছপালা এবং ফসলি জমি কেটে মাটি উত্তোলনের সময় বাধা দেই, কিন্তু তারা বাধা মানেন নি।

স্থানীয় বাসিন্দা আয়েত আলী বলেন, হযরত শাহ আরেফিন (রহ.) মোকামের টিলার উপর স্থাপিত সীমানা প্রাচীরের পাকা পিলার ঘেঁষে এস্কেভেটর মেশিন দিয়ে মাটি কেটে নতুন সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এতে অনেকের বসতভিটা, গাছ-পালা ও ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে।

মোকাম পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুল মান্নান বলেন, রাতে এস্কেভেটর মেশিন দিয়ে মোকামের পাকা পিলার ঘেঁষে মাটি উত্তোলন করার সময় কমিটির লোকজন বাধা দিয়েছিলেন। মানুষের অনেক ক্ষতি হয়েছে। মোকামের টিলায় ধসে যাবার আশংকা রয়েছে।

রঙ্গারচর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বলেন, টিলা কেটে সড়ক নির্মাণ করলে অন্যের সমস্যা কি। সড়ক নির্মাণে কী ক্ষতি হয়েছে সেটা জানি না। স্থানীয় কিছু মানুষ চাঁদা তোলে সড়ক নির্মাণে কাজ করছেন। এই সড়ক জনগণের স্বার্থে নির্মাণ হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমা বলেন, ঘটনার পর পর রংপুর কান্দিগাঁও হযরত শাহ আরেফিন (রহ.) মোকাম এলাকা পরিদর্শন করেছি। সড়ক নির্মাণে এলাকাবাসী নানা সুবিধার কথা বলেছেন। জনগণের বৃহৎ স্বার্থে এই সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। সড়ক নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ। পাশের যে সড়ক রয়েছে, সেটি সংকীর্ণ। পায়ে হেঁটে যাওয়ার সড়ক। নতুন সড়ক নির্মাণে কারো কোনো ক্ষতি হয়েছে বলে আমার মনে হয় নি।

  • [১]