দোয়ারায়াবাজারে জাতীয় শোক দিবস পালিত

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজারে গভীর শ্রদ্ধায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার এ উপলক্ষে সকাল ১০ টায় দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের সামনে জাতির পিতার ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পণ করে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। এছাড়াও জাতীয় শোক দিবসে ফলজ ও বনজ নানা জাতের গাছের চারা রোপন করা হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে সুনামগঞ্জ ৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী চক্ররাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও তাঁর পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। জাতীয় শোক দিবসে থেকে শক্তি অর্জন করে স্বাধীনতা বিরোধী বিএনপি- জামায়াতকে প্রতিহত করতে হবে।
সকালে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. আবদুর রহিম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীর প্রতীক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাংশু কুমার সিংহ, দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ দেবদুলাল ধর প্রমুখ।
এদিকে বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে মা-মনি কমিউনিটি সেন্টারে বঙ্গবন্ধুর ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আবুল মিয়া এবং রিঙ্কু কুমার দে এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ছাতক দোয়ারার সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও লক্ষ্মীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিরুল হক, যুগ্ম আহবায়ক ও সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আব্দুল খালেক, ছাতক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আহমদ, আবজাল হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য দোহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আনোয়ার মিয়া আনু, বোগলাবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী আপন, আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল হালিম বীরপ্রতীক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার সফর আলী, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছালেহা বেগম, আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ঝরনা রানী দাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য সফিকুল ইসলাম বাবুল, বরুন চন্দ্র দাস, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার রফিক উদ্দিন, কয়ছর আহমদ চৌধুরী, গুরোদন দাস, আব্দুল হামিদ, মো. নুরুল আমিন, আলী আকবর, মঈনুল ইসলাম, আওয়ামিলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফতেপুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, সিরাজ মিয়া, মো. আলাউদ্দিন, মো. আব্দুর রুফ, আব্দুল জলিল, শানুর আলী, দুলাল মিয়া, মানিক মিয়া, সৌদিআরব প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা ছমির উদ্দিন, দোহালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর মিয়া, সাধারণ সম্পাদক বশির উদ্দিন, লক্ষিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনফর আলী, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি সদর ইউপি সদস্য তাজির উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম, সেচ্চাসেবকলীগ নেতা ছালিক মিয়া, কামরুজ্জামান ভুইয়া রুবেল, মোশাররফ হোসেন, আলী আকবর, ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি ছদরুল ইসলাম, রুসমত আলী, আপ্তাব উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক রতন লাল দাস, নিউটন দাস সময়, সাদিকুর রহমান, নাহিদ হাসান, পাবেন আহমেদ, আশীক,আকাশ দাস, রিসাদ আলী সাগর,জয়দেব তালুকদার, হেলাল মাহমোদ, মো. সামুল, মারুফ, মো. সায়েদ মিয়া, আরিফ তালুকদার, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রত্যেক ঘরের বারান্দায় একটি করে গাছের চারা রোপন করা হয়।