ধর্ষকের ২ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর

স্টাফ রিপোর্টার
দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংহপুর ইউনিয়নের খাইরগাঁও গ্রামে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত বিল্লাল হোসেনের ২ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতের দোয়ারাবাজারের বিচারক শ্যামকান্ত সিনহা এই
আদেশ দেন। গত ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টায় প্রকৃতির ডাকে ঘর থেকে বের হলে একই গ্রামের ৫ বখাটে পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ওই কিশোরীকে। পরে তার পরনের ছালোয়ার নিয়ে যায় এবং জামা ছিড়ে বিবস্ত্র করে ছাড়ে মেয়েটিকে। এ ঘটনায় মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতেই অভিভাবকদের বিষয়টি জানায় কিশোরী। কিন্তু গ্রামের ধর্ষকরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের আত্মীয়-স্বজন কিশোরীর অভিভাবকদের মামলা করতে দেয় নি। আপোসে মিমাংসা করার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করতে থাকে।
গত মঙ্গলবার মেয়েটি আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে থানার ওসি মো. নাজির আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মঙ্গলবার বিকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষক বিল্লাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।
কোর্ট ইন্সপেক্টর সেলিম নেওয়াজ জানান, আদালত বুধবার বিকালে ২২ ধারায় ধর্ষিতার জবানবন্দি নিয়েছেন আদালত। পুলিশ ধর্ষক বিল্লাল হোসেনকে ৭ দিনের রিমা-ে নেবার আবেদন করে। আজ বৃহস্পতিবার আদালত ধর্ষক বিল্লাল হোসেনের ২ দিনের রিমা- মঞ্জুর করেন।
এঘটনায় জড়িত অপর চার ধর্ষক খাইরগাঁও গ্রামের মাহমুদ আলীর ছেলে হোসাইন আহমদ (২০), সুরুজ আলীর ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (২৩), মোজাম্মিল আলীর ছেলে আছকির আলী (২৫) ও তেরাপুর গ্রামের ইসমাইল মিস্ত্রির ছেলে আইয়ুব আলী (২০) কে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।