নৌপথেও সিলেটমুখী বিএনপির স্রোত

এম.এ রাজ্জাক, তাহিরপুর
সিলেটে বিএনপির গণসমাবেশে যোগদান করতে তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, মধ্যনগর, ধর্মপাশা ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা থেকে শতাধিক ইঞ্জিন চালিত নৌকায় হাজারো নেতাকর্মী রওয়ানা দিয়েছেন। সমাবেশের আগে বৃহস্পতিবার ধর্মঘটের আহবান করায় বিকল্প মাধ্যম হিসেবে নৌপথ বেছে নিয়েছেন নেতাকমীর্রা।
তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি, উত্তর বড়দল ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাসেম বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটাই গণসমাবেশ সফল করা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা। ধর্মঘট ডাকায় বিকল্প পথ হিসেবে নৌকা পথেই নেতাকর্মী ও সমর্থকরা রওয়ানা দিয়েছেন। তাহিরপুর ও ধর্মপাশার ভাটি অঞ্চল থেকে নৌকা পথে সিলেট যেতে প্রায় দুইদিন সময় লাগবে। এই দুইদিন নেতাকর্মী ও সমর্থমকরা নৌকাতেই রান্নাবান্না করে খাচ্ছেন এবং শীত উপেক্ষা করে নৌকাতেই ঘুমাচ্ছেন।
জেলা বিএনপির সহসভাপতি, তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনিসুল হক বলেন, বিভাগীয় গণসমাবেশ বাধাগ্রস্ত করতে সমাবেশের দিন ও আগের দিন পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। তাই হাওর এলাকা থেকে নদীপথে হাজার হাজার নেতাকর্মী রওয়ানা দিয়েছেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ বলেন, সরকার বিএনপির গণজোয়ার দেখে দিশেহারা হয়ে পরিবহন মালিকদের উপর চাপ সৃষ্টি করে পরিববহন বন্ধ করেছে। তিনি বলেন, বিএনপি হচ্ছে সাধারণ মানুষের দল। পরিবহন বন্ধ করেও সিলেটে বিএনপির গণসমাবেশ বানচাল করতে পারবে না সরকার।