- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://sunamganjerkhobor.com -

পেয়াজ সমাচার

প্রমোদ রঞ্জন সরকার
আজ সকালে ইন্ডিপেন্ডেট টিভির খবরে দেখলাম ঢাকার বাজারে পেঁয়াজ ২১০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা কেজি বিক্রয় হচ্ছে। অর্থাৎ পেঁয়াজের বাজারে আগুন লেগেছে। আবার সে পেয়াঁজের ঝাঁজ এসে লেগেছে ফেইসবুকে। ফেইসবুকে পেঁয়াজ নিয়ে অসংখ্য পোস্ট। কেউ পরামর্শ দিচ্ছেন পেঁয়াজ খাওয়া ছেড়ে দিতে। কেউ বলছেন পেঁয়াজ চাষ করতে আবার কেউ কেউ টবে পেঁয়াজ চাষের পরামর্শ দিচ্ছেন।
পেঁয়াজ বাঙালির একটি অতি নিত্য প্রয়োজনীয় মসলা দ্রব্য। ভোজন বিলাসী ও ভোজন রসিক বাঙালির জিহ্বার স্বাদ পেতে হলে পেঁয়াজ ছাড়া চলে না। তাই পেঁয়াজ খাওয়া ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শটি বাস্তবসম্মত নয়। যেমন সুন্দরবনে বাঘ থাকে বলে বাঘের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষ অন্য এলাকায় চলে যায় নাই। এই পরামর্শটি হচ্ছে হাতে অসুখ হয়েছে তার চিকিৎসা না করে হাত কেটে ফেলে দেওয়ার সামিল।
আশ্বিন কার্তিক মাস হচ্ছে পেঁয়াজের অফ সিজন। আর কিছু দিন পরেই বাজারে নতূন পেঁয়াজ উঠবে। এই সময়ে বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ে এটা সরকারও জানে ব্যবসায়ীরাও জানে। তাই সরকারী হিসাব নিকাশ ও সরকারী ব্যবস্থার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ গুদামজাত করে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়িয়ে দেয়। বছরে দেশে চব্বিশ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা আছে বলে জানা যায়। দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের হিসাব করে বাকীটা আমদানি করতে হয়। উৎপাদিত পেঁয়াজ এবং আমদানির হিসাব নিয়ে আছে জগাখিচুড়ি। টিসিবি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উইং সেল, ক্যাব (কঞ্জুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) এবং কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে খামার বাড়ি এর হিসাব সংরক্ষণ করে । এদেরঁ এক সংস্থার হিসাবের সাথে আবার অন্য সংস্থার হিসাবের মিল নেই। অনেকটা গল্পের নিন্দুকের মতো “সমিতি কার, উত্তরÑ মন্তাজের, চলছে কেমন, উত্তরÑ আন্তাজে”। অর্থাৎ মন্তাজের সমিতি যেমন আন্তাজে চলে তদ্রুপ বাংলাদেশের সরকারী দপ্তর বা সংস্থার কাজের বেশীর ভাগ আন্দাজে চলে। এ প্রসঙ্গে ২০১৭ সালের আগাম বন্যায় যখন হাওরাঞ্চলের শতভাগ ধান তলিয়ে যায় তখন মাননীয় ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া নেত্রকোনা জেলা পরিদর্শনে গিয়ে রাতে জেলার কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা করেন । তিনি যখন বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে প্রশ্ন করেন তখন কর্মকর্তারা উত্তর দিতে না পেরে অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন। অতি চালাক কেউ কেউ মনগড়া তথ্য দিচ্ছিলেন। তাদেঁর কে বলা হলো যে আপনারা কি সরজমিনে গিয়েছিলেন। উত্তরÑ না, তাহলে এ রিপোর্ট কিভাবে করলেন, উত্তরÑ মোবাইলে তথ্য নিয়ে। উপজেলা কর্মকর্তারা কি ভাবে তথ্য পেয়েছে উত্তর ছিল মোবাইলে। অর্থাৎ কেউয়েই সরজমিনে না গিয়ে মনগড়া রিপোর্ট করেছেন। তখন মন্ত্রী মহোদয় খেদে বললেন “হায় এই মোবাইল কে বানাইলো রে”। পেঁয়াজের এই অবস্থার জন্য এখন ভারত পেঁয়াজ রপ্তানী বন্ধ করে দিয়েছে বলে দোষারোপ করা হচ্ছে। আমার জানা মতে আগাম তিন মাসের স্টক হাতে রেখে খাদ্য সামগ্রীর হিসাব রাখা হয়। তাই ভারত অন্যায়ভাবে রপ্তানী বন্ধ করলে প্রটোকল অনুযায়ী প্রতিবাদ করা যেত। ভারত রপ্তানী বন্ধ করার পর হাতে তিন মাস সময় ছিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ও সংস্থার উচিৎ ছিল জরুরী ভিত্তিতে তুরস্ক, বার্মা
বা অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা। কারণ ভারতেই পৃথিবীতে একমাত্র পেঁয়াজ উৎপাদনকারী দেশ নয়। তা না করে আমরা নিজের দোষ অপরের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে সিদ্ধহস্ত। অন্যের দোষ চোখে পড়ে কিন্তু নিজের দোষ চোখে পড়ে না। অর্থাৎ আমরা প্রত্যেকেই ধোঁয়া তুলসী পাতা।
বাজারে সরবরাহ ঘাটতি হলে পণ্যের মূল্য বেড়ে যাবে এটি অর্থনীতির সাধারণ নিয়ম। এটি বুঝতে অর্থনীতিবিদ হতে হয় না। ১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষে বাংলায় পয়ত্রিশ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। দেশে খাদ্যের অভাব তখনও ছিল না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও এতদসংক্রান্ত ঘটনার সুযোগে অতি মুনাফা লাভকারীদের লোভের কারণে মনুষ্য সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে এতগুলি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। কালোবাজারী ও মুনাফাখোরদের সিন্ডিকেট এতো শক্তিশালী যে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে নানা ফন্দি ফিকির করে সরকারকেই বেকায়দায় ফেলে দেয়। আবার সরকারী আমলাদের মধ্যেও যে এই সিন্ডিকেটের সুবিধাভোগী কেউ কেউ লুকিয়ে থাকে তাই সরকারকে খুব সাবধানে সব কিছু হ্যান্ডেল করতে হয়। যে দেশে বেড়ায় ক্ষেত খায় অর্থাৎ ব্যক্তি স্বার্থের বাইরে জাতীয় স্বার্থ প্রাধান্য পায় না সে দেশে জনগণ সচেতন না হলে সরকারের একার পক্ষে মজুতদারী ঠেকানো খুব কঠিন। যুদ্ধ আর দুর্ভিক্ষের বাজারে আঙ্গুল ফুলে রাতারাতি কলাগাছ হওয়া যায় এটা পৃথিবীতে বাঙালির চেয়ে আর কেউ ভাল জানে না। আমেরিকায় সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব খ্রিস্টমাসের সময়ে সব জিনিষের দাম কমিয়ে দেওয়া হয়। নাম মাত্র লাভে জিনিষ বিক্রয় হয়। মানুষ এই সময় টির জন্য সারা বছর অপেক্ষায় থাকে। আমাদের দেশে এর উল্টো। ঈদ উৎসব পুঁজা পার্বনের সময় সবচেয়ে বেশী গলা কাটা দাম রাখা হয়।
নিকট অতীতে আমার দেখা ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে সরকারী হিসাবে চল্লিশ হাজার বেসরকারী হিসাবে আরো অনেক বেশী লোক না খেয়ে মারা গিয়েছিল। সেবার স্মরণ কালের ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল। সদ্য স্বাধীন দেশে খাদ্য ঘাটতি তো ছিলই। এর উপর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে আমেরিকা আই এল ও ৪৮০ আন্তর্জাতিক খাদ্য সাহায্য কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের জন্য খাদ্য ভর্তি জাহাজ আটকে দিয়েছিল। এ ছাড়া আমেরিকা থেকে কেনা খাদ্য জাহাজ সময় মতো না পাঠিয়ে নানা টালবাহানায় বিলম্বিত করছিল। তখন আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন হেনরী কিসিঞ্জার । যিনি বলেছিলেন বাংলাদেশ একটি তলা বিহীন ঝুড়ি। একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার মোক্ষম সুযোগ পেয়ে গেলেন এবং যা তিনি কড়ায় গন্ডায় কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ সরকার কে বেকায়দায় ফেলে দিয়েছিলেন। অথচ বঙ্গবন্ধু তখন আবদুল মোমেন খান নামে একজন দক্ষ আমলাকে খাদ্য সচিব নিয়োগ করেছিলেন। যিনি পরে বিএনপি সরকারের খাদ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। এ ছাড়া তখন আওয়ামী লীগের দলীয় লোকদের দুর্নীতি ও এ দুর্ভিক্ষ সৃষ্টিতে পরোক্ষ ভাবে ভূমিকা রেখেছিল।। প্রকৃত পক্ষে দেশে তখনও খাদ্য ঘাটতি যতটা বলা হয়েছিল ততটা ছিল না। খাদ্য দ্রব্য মজুত করে লুকিয়ে ফেলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছিল । বাড়তি দাম দিলে ঠিকই পাওয়া গেছে। এ প্রসঙ্গে আমাদের পাঠ্য বইয়ে পড়া সাহিত্যিক লেখক সাংবাদিক রাজনীতিক ও মন্ত্রী আবুল মনসুর আহম্মদের ফুড কনফারেন্স গল্পটি প্রণিধানযোগ্য। চুয়াত্তরে শুকনা মরিচ ও লবণের দাম এত বেড়েছিল যে মানুষ বলতে গেলে লবণ খাওয়া ছেড়েই বা কমিয়ে দিয়েছিল। শুকনা মরিচ ছিল দুইশত টাকা আর কাঁচামরিচ একশত বিশ টাকা সের। লবণের সের কত ছিল তা মনে করতে পারছি না। আমাদের হাওরাঞ্চলে দুর্ভিক্ষ ছিল না। এর পরও গ্রামে গ্রামে লঙ্গরখানা খোলা হয়েছিল। চার মাসের দুর্ভিক্ষ মোকাবিলা করতে গিয়ে উজান অঞ্চলের মানুষ নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিল। অনেক গৃহস্থ পরিবার জমি বিক্রি করে সর্বশান্ত হয়েছে। উজান (পশ্চিম) থেকে টিনের ঘর দুয়ার, খাট পালং, চৌকি, আলমারী, চেয়ার টেবিল সৌখিন গৃহস্থালী সামগ্রী অভাবী মানুষেরা সব বিক্রি করেছিল যাতে আমার বাড়ির পাশের লেপসিয়া বাজার ভরে যেত, রাখার মতো জায়গা থাকতো না। এগুলি নামমাত্র মূল্যে হাওরাঞ্চলের মানুষ কে কিনতে দেখেছি। আমাদের এলাকায় অভাব খুব বেশী ছিল না। তখনো আমার গ্রামের প্রতিটি গৃহস্থ বাড়ির গোলায় দুইশত থেকে হাজার মণের ও বেশী ধান ছিল। থানার ওসি গোলার ধান সিজ্ করবে বলে ধোকা দিয়ে গৃহস্থদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে যেতে দেখেছি। ধান সিজ করার আইনগত ক্ষমতা ওসির ছিল না। আমার বয়স তখন নিতান্ত কম হওয়ায় এ নিয়ে মৃদু প্রতিবাদ করলেও বিপদের আশংকায় আমাকে থামিয়ে দিয়ে গ্রামের আইন কানুন না জানা সহজ সরল সাধারণ মানুষ ঝামেলা এড়াতে টাকা দিতে বাধ্য হয়। চুয়াত্তর সালে ধানের বাজার এক লাফে দুইশত টাকা মণ ও চাউল দশ টাকা সের হয়েছিল। দুর্ভিক্ষের পর বিদেশী প্রতিনিধি দল দুর্ভিক্ষ অঞ্চল অর্থাৎ বাংলাদেশ পরিদর্শনে এসে আমাদের দেশের গাছপালা লতাপাতা দেখে মন্তব্য করেছিল যে দুর্ভিক্ষ আরো ছয় মাস লিংগার করলেও একজন মানুষও মারা যাওয়ার কথা না। খাদ্যাভ্যাস জানা না থাকায় কচু ঘেচু অখাদ্য কুখাদ্য খেয়ে কলেরা ডাইরিয়ায় বেশীর ভাগ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তাই আমাদের উচিৎ পেঁয়াজের বিকল্প বাহির করা এবং বিকল্প খাবার খেতে অভ্যাস করা।
চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষকে পূঁজি করে পরবর্তী নির্বাচনের সময় দক্ষিণপন্থী দলগুলি আওয়ামী লীগ বিরোধী সাম্প্রদায়িক শ্লোগানের (সঙ্গত কারণে শ্লোগানের কথা উল্লেখ করিনি) সাথে এ শ্লোগানটিও তৈরি করেছিল যেমন “হাছিনা রে হাছিনা/তোর কথায় নাচি না/ তোর বাপের কথায় নাইচ্যা/ ক্ষেত খাইছি বেইচ্যা”। যা তখনকার সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক সাধারণ মানুষের মনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।
চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে ইত্তেফাকের আলোকচিত্র শিল্পী আফতাব আহম্মেদ স্থানীয় চেয়ারম্যান আনসার আলী ব্যাপারীর সহায়তায় কিছু টাকা দিয়ে দরিদ্র পীড়িত বা মংগা কবলিত অঞ্চল কুড়িগ্রামের চিলমারির তিস্তা পাড়ের অতি দরিদ্র জেলে পাড়ার সেই বোবা মেয়ে বাসন্তীর জাল পড়া ছবি তুলেছিল এবং দুর্গা ও বাসন্তী কে দিয়ে পাট ক্ষেতের কাচা পাট পাতা শাক খাওয়ার দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করেছিল। ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষের সময় ছবি দুটি ইত্তেফাকে ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশের পর বাংলাদেশের ও বঙ্গবন্ধু সরকারের ভাবমূর্তিকে বিরাট সংকটে ফেলে দিয়েছিল। এটি ছিল বঙ্গবন্ধু সরকারের বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। দুর্ভিক্ষ অবস্থা নিয়ে জনগণ বিচলিত ছিল। এরকম একটা সময়ে বাসন্তীর ছবি জনমনে ব্যপক বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল।
পেঁয়াজ পর্ব নিয়ে লিখতে গিয়ে এর প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে এত কথা লিখতে হলো। মানুষ এখন শুধু ধান, এই এক ফসলের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। আমার বাড়ি হাওরাঞ্চলে। আমি গৃহস্থ পরিবারের সন্তান। আমি দেখেছি আমাদের লবণ, কেরোসিন কাপড় ছাড়া আর কিছু কিনতে হতো না। উপরন্ত বাড়তি সব কিছু বিক্রি হতো। বাড়িতেই এক কোণে হলুদ আদার চাষ হতো। যা সারা বছরের চাহিদা মিটাতো। তরিতরকারী কোন দিন কিনতে হয়নি। জ্যৈষ্ঠ মাসে পানি হয়ে গেলে নীচের জমি থেকে মরিচ গাছ উঠিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় বাড়িতে লাগানো হত যা থেকে আরো এক/ দেড় মাস কাচামরিচ পাওয়া যেত। বাড়িতে লাগানো কচু থেকে সারা বর্ষা কচুর লতি পাওয়া যেত। আর এখন সব কিছু কিনে খেতে হয়। মানুষ ধান ছাড়া অন্য ফসল চাষ করছে না বলেই আজকের পেয়াঁজের এই দুরাবস্তা। তাই দেশের মানুষকে শুধু পেঁয়াজ নয় অনেক বিকল্প ফসল উৎপাদনের কথা ভাবতে হবে ও সে দিকে নজর দিতে হবে। এটাও মনে রাখা দরকার যে ধানের চেয়ে অন্য ফসলের মূল্য বেশী। তাই শুধু ধান চাষ নয় বাস্তব চাহিদা ও প্রয়োজনের নিরিখে সমন্বিত ফসলের চাষাবাদের উপর নজর দিতে হবে।
লেখক: আমেরিকা প্রবাসী।

  • [১]