প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১৭ নভেম্বর জাতীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় ‘এমপি রতনের আশীর্বাদ: ধর্মপাশার মোবারকের হাতে আলাদিনের চেরাগ’- শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ওই সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে আমার নানা একজন রাজাকার, প্রভাব খাটিয়ে মধ্যনগর কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি হওয়াসহ থানা পুলিশে তদবির, টিআর-কাবিখায় ভাগ, জলমহাল দখল ও ঠিকাদারি, মধ্যনগর বাজারে সরকারি জমি দখল করে অট্টালিকা নির্মাণ, ভূমিহীন হিসেবে মধ্যনগর ভূমি অফিস ও পোস্ট অফিসের মধ্যবর্তী স্থান এবং মধ্যনগর থানার সামনে সরকারি লিজকৃত জমি জোরপূর্বক দখল করে গৃহ নির্মাণ, একজন পদস্ত পুলিশ কর্মকর্তার ভাতিজাকে মারধর, হিন্দু পরিবারের লোকজনকে নির্যাতন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিরোধীতা, বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা, জোরপূর্বক মধ্যনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি’র পদ দখল করে বিভিন্ন অনিয়ম ও দপ্তরী দিয়ে শিক্ষককে মারধর, শিক্ষকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, রাজত্ব কায়েমের জন্য মোবারক বাহিনী গঠন, মধ্যনগর বিপি উচ্চ বিদ্যালয়ের মিনতী হত্যাকান্ডে জড়িত আসামিদের সহায়তা, মধ্যনগর সোনালী ব্যাংক শাখায় একাধিক একাউন্ট, মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জন্য অসৎ নেতাদের পেছনে অর্থ বিনিয়োগ করছি।
সংবাদে উল্লেখিত তথ্য মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমার নানা রাজাকার নয় এবং আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। আমার বাবাও আওয়ামী লীগ করতেন। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত আব্দুস সাজাদ আমাদের বাড়িতে থেকে সুনামগঞ্জ-১ আসনে তার নির্বাচন পরিচালনা করেন। এতে আমার পরিবারও সক্রিয় ভূমিকা রাখে। আমিও স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগ করে আওয়ামী লীগে এসেছি। আমরা পাঁচ ভাই। একজন ব্যাংকে চাকরি করে। রাজনীতির পাশাপাশি আমি ১৯৯২ সাল থেকে ব্যবসা বাণিজ্যের সাথে জড়িত এবং আমার অন্য ভাইয়েরা ব্যবসা করে। মধ্যনগর চার ইউনিয়নকে মাদক ও জুয়ামুক্ত করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিবর্গের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে তাদেরকে সহযোগীতা করে যাচ্ছি। গত ৮ নভেম্বর মধ্যেনগর থানা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সম্মেলনে আমি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। তৃণমূলের হাজার হাজার নেতাকর্মীর সমর্থন ও আমার জনপ্রিয়তা দেখে আওয়ামী নামধারী মাদকাসক্ত ও বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকা প্রতিপক্ষের লোকজন ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন এবং রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করতে এমন ভূয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
মোবারক হোসেন তালুকদার
সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক
মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগ,
ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ।