বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট – জয়ী দিরাই ও তাহিরপুর

স্টাফ রিপোর্টার
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুর্ধ্ব ১৭ বালক-বালিকার সুনামগঞ্জ জেলা পর্যায়ের চূড়ান্ত খেলা শেষ হয়েছে। ৮ দিনের খেলার শেষ দিন ছিলো বুধবার। প্রথমে বালিকাদের মধ্যে তাহিরপুর উপজেলা ও দিরাই উপজেলার খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এরপরেই বালকদের সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ও দিরাই উপজেলার মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বালিকাদের মধ্যে বিজয়ী হয়েছে তাহিরপুর অনূর্ধ্ব ১৭ বালিকা দল ও বালকদের মধ্যে বিজয়ী হয়েছে দিরাই উপজেলা অনূর্ধ্ব ১৭ বালক দল।
বালিকাদের ফাইনাল খেলা শুরু হয় বিকাল ৩ টা ২৫ মিনিটে। শুরু থেকেই দু’পক্ষের আক্রমন ও পাল্টা আক্রমন থাকলেও গোলের দেখা কোনও দলই পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের খেলাও শূন্য গোলে শেষ হলে টাইব্রেকারে গড়ায়।
প্রতি দলের ৫ টি করে শর্ট নির্ধারণ করে দেন রেফারি আতাউর রহমান। এই পাঁচ শর্টে উভয় দলেই ১ টি করে বল গোল পোস্টের জালে দিতে পারে। পরে আরও ২টি করে শর্ট নির্ধারণ করে দেন রেফারি। এদুটি শর্টের তাহিরপুর ১ টি কাজে লাগাতে পারলেও দিরাই একটিও পারেনি। এতে খেলায় জয়ী হয় তাহিরপুর বালিকা অনুর্ধ্ব ১৭ টিম।
এদিকে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ও দিরাই উপজেলার বালকদেরও দ্বিতীয় খেলার প্রথমভাগে কোনো দলই গোল পায় নি। ০- ০ গোলে প্রথমভাগের খেলা শেষ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় প্রথম গোলের দেখা পায় দিরাই উপজেলা টিম। ৫ টা ৩৫ মিনিটে এই গোলের দেখা পায় তারা। খেলার শেষের দিকে দিরাই দলের গোল পোস্টের কাছে ফাউল কিক পায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার টিম। ৫টা ৫৩ মিনিটের এ শটেই বাজিমাত করেন তারা। ১- ১ গোলে খেলার নির্ধারিত সময় শেষ করে দুটি দল।
পরে খেলার জয়ী দল নির্ধারণের জন্য রেফারি শাহ্ মোহাম্মদ আবু জাকের টাইব্রেকারের সিদ্ধান্ত দেন। উভয় দলকে ৫ টি করে শটের সুযোগ দেন তিনি। এ ৫ শটে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দল একটিও কাজে লাগাতে পােে নি। অপরদিকে দিরাই উপজেলার দল ২ টি শর্ট গোল পোস্টের জালে জরাতে সক্ষম হয়। এতে খেলায় জয়ী হয় দিরাই উপজেলা বালক অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল দল।
পরে বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুর রহমান সিরাজ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিজন কুমার সিংহ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান ইমদাদ রেজা চৌধুরী, সাংবাদিক লতিফুর রহমান রাজু প্রমুখ।