বরুণ রায় এর স্মরণ সভায় বক্তারা/ জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশ ও মানুষের কল্যাণে

স্টাফ রিপোর্টার
‘জীবনের ১৪ বছর নির্জন কারাবাসে কাটিয়েছেন নন্দিত জননেতা বরুণ রায়। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম সংগঠক। জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশ ও মানুষের কল্যাণে। সাম্যবাদ, মনুষ্যত্ব, বাঙালি জাতিসত্ত্বা, মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তিই ছিল তাঁর স্বপ্ন-সংগ্রামের আদর্শ। মাটির তিলক-চিহ্ন কপালে নিয়েই ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিদায় নিয়েছিলেন তিনি।’
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সাবেক সংসদ সদস্য কমরেড প্রসুন কান্তি রায় (বরুণ রায়) এর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কমরেড বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের আয়োজনে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কমরেড বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের সভাপতি ধূর্জটি কুমার বসু’র সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রজত কান্তি সোম।
জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সিপিবি’র সাবেক সভাপতি অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার, কমরেড বরুণ রায় স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক রমেন্দ্র কুমার দে, জেলা মহিলা পরিষদ সভাপতি গৌরী ভট্টাচার্য, গৌরবের মুক্তিযুদ্ধ ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক মুনমুন চৌধুরী, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বাদল চন্দ্র বর্মন।