বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম হলে ছাড় দেয়া হবে না- ব্যারিস্টার ইমন

স্টাফ রিপোর্টার
হাওরাঞ্চলে কৃষকের বোরো ফসলই জীবিকার একমাত্র ভরসা। জেলার সকল হাওরের কৃষকের বোরো ফসল রক্ষা করা আমাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ। হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে সরকার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কৃষকের ফসল রক্ষা করতে হলে সময়মতো বাঁধের কাজ শেষ করতে হবে। বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
রবিবার সকালে বিশম্ভরপুর ও তাহিরপুর উপজেলার ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম. এনামুল কবির ইমন। প্রথমে তিনি বিশম্ভরপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের আঙ্গুরআলী হাওরে ১৬ নম্বর পিআইসি’র বাঁধের কাজ ঘুরে দেখেন। এরপর তাহিরপুর উপজেলার শনির হাওরের বিননগর এলাকার বাঁধ নির্মাণ কাজ ও মাটিয়ান হাওরের পাচনালিয়া ৬০, ৬১, ৬২ নম্বর পিআইসির বাঁধের কাজ পরিদর্শন করেন।
তিনি আরও বলেন, সুনামগঞ্জ হাওর বেষ্টিত একটি জেলা। প্রতিবছর কৃষকের ফসল ঘরে তোলার আগে উদ্বিগ্ন থাকেন সকলে। হাওরের বাঁধ সঠিক নিয়মে না হওয়ায় কৃষকের ফসল পানির নিচে চলে যায়। যদি প্রতিটি হাওরের বাঁধ নির্মাণ কাজ সঠিকভাবে করা হয়, তাহলে কৃষকের মুখে হাসি ফুটবে। পিআইসি গঠনে কোন অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাধঁ নির্মাণ কাজের যে সময়সীমা দেওয়া হয়েছে, তার ভিতরে বাঁধের কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুনেদ আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শামীম আখঞ্জী, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সফর উদ্দিন, তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জুনাব আলী সহ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।