ব্যাংক খাত নিয়ে শঙ্কায় সরকার -পরিকল্পনামন্ত্রী

সু.খবর ডেস্ক
ব্যাংক খাত নিয়ে সরকার শঙ্কায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেছেন, এ খাতের অনিয়ম নিয়ে সকাল-বিকেল মানুষের গালাগাল শুনতে আর ভালো লাগে না। সরকার চায় ব্যাংক খাত নিজস্ব নিয়ম অনুসরণের মাধ্যমে শৃঙ্খলার মধ্যে থাকুক। এতে হস্তক্ষেপ করতে চায় না সরকার।
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) উন্নয়ন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে গতকাল সোমবার এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পাঁচ দিন ধরে এই মেলা চলছে। আগামীকাল বুধবার রাতে মেলা শেষ হবে। গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলার উদ্বোধন করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এবং পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘৯৪ শতাংশ ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরেছে সরকার। পিকেএসফের কার্যক্রমের প্রশংসা করে এম এ মান্নান বলেন, কর্মসংস্থানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সফলভাবে মাঠে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখছে এ সংস্থাটি।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আরও ২০০ নতুন সেবা সৃষ্টি করবেন তারা। উৎপাদন কার্যক্রমকে সহায়তা করার জন্য দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা সম্প্রসারণ করা হবে। উন্নয়ন মেলায় প্রদর্শিত নারী উদ্যোক্তাদের পণ্যের বাজার দেশের বাইরেও সম্প্রসারণ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন পরিবেশ উপমন্ত্রী।
সভাপতির বক্তব্যে ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, পিকেএসএফের লক্ষ্য পিছিয়ে পড়া, পিছিয়ে থাকা ও পিছিয়ে রাখা মানুষের অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন। এর মাধ্যমে তাদের মানব মর্যাদা নিশ্চিত করা। সারাদেশে সাধারণ মানুষের কাছে বিভিন্ন ধরনের বহুমাত্রিক ও দীর্ঘমেয়াদি সেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছেন তারা। পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, মেলার মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ক্রেতা এবং ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। পণ্য উৎপাদন এবং সরবরাহের ফরমায়েশও পাওয়া গেছে। গতকাল পর্যন্ত ৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে।
মেলায় প্রদর্শিত পণ্যের মধ্যে ‘সম্ভাবনাময় পণ্য’ হিসেবে তিনটি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়। এই ক্যাটাগরিতে ‘মোজারেলা চিজ’ পণ্যের জন্য প্রথম পুরস্কার পেয়েছে ইএসডিও। ভার্টিক্যাল ক্র্যাব কালচারের জন্য দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে পরিবার উন্নয়ন সংস্থা। পরিবেশবান্ধব টেকসই নির্মাণ সামগ্রীর জন্য তৃতীয় সেরা পুরস্কার পেয়েছে দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থা। এ ছাড়া সেরা স্টল শ্রেণিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে গ্রাম বিকাশ কেন্দ্র, দ্বিতীয় গ্রামীণ জন-উন্নয়ন সংস্থা এবং তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে উন্নয়ন প্রচেষ্টা।
সূত্র : সমকাল