ভাইয়ের দাবি, অপুকে ফাঁসানো হয়েছে

শাল্লা থানার উপপরিদর্শকের (এসআই) ওপর হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতা অরিন্দম চৌধুরী অপুকে (৩৮) ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার ভাই অ্যাডভোকেট অমিতাভ চৌধুরী রাহুল।
শুক্রবার বিকালে সিলেট নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদমিনার প্রাঙ্গণে ‘সচেতন শাল্লাবাসীর’ আয়োজনে মানববন্ধনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
অ্যাডভোকেট অমিতাভ চৌধুরী রাহুল বলেন, গত ৩ এপ্রিল হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতা মাওলানা মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জের একটি রিসোর্টে বেড়াতে গিয়ে জনরোষে পড়ার ঘটনার পরদিন তার স্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের একটি অডিও একাত্তর টিভিতে ফাঁস হলে সেটির লিংক ফেসবুকে শেয়ার করেন অরিন্দম চৌধুরী অপু। এরপর থেকে টানা কয়েকদিন এই পোস্টে এবং ফেসবুকে তাকে নানা ভাবে সাম্প্রদায়িক হামলার হুমকি দিতে থাকেন স্থানীয় কয়েকজন।
পরে হুমকি দেওয়া ১৩ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে ১০ এপ্রিল শাল্লা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয় জানিয়ে অমিতাভ চৌধুরী আরো বলেন, আমরা থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পরও থানা থেকে হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে বরং এসআই শাহ আলী ফেসবুক স্ট্যাটাসটি মুছে দিতে এবং সাধারণ ডায়রি পরির্বর্তন করতে আমার ভাইয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। এ ঘটনায় আমরা এসআই শাহ আলীর চাপ প্রয়োগের বিষয়টি গত ১৪ এপ্রিল পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জকে জানালে পুলিশ তদন্ত শেষে এসআই শাহ আলীকে শোকজ করা হয়। এতে আমার ভাইয়ের ওপর ক্ষিপ্ত হন তিনি। আর এ কারণেই আমার ভাইকে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে।
এর আগে গেলো ১২ জুলাই রাতে শাল্লা থানার এসআই শাহ আলীর উপর হামলা চালান কয়েকজন যুবক। এ ঘটনা যুবলীগ নেতা ও শাল্লা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক অরিন্দম চৌধুরী অপুসহ আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে অপুর পরিবারের দাবি ছিলো তিনি সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্রের স্বীকার।
আবু আব্দুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও টিটু চৌধুরীর সঞ্চালনায় আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এডভোকেট সুব্রত তালুকদার, এডভোকেট দেবব্রত চৌধুরী লিটন, মো. হোসেন, নাজমুল হোসেন, অধ্যাপক জ্যোতিষ মজুমদার, শংকর চন্দ্র বৈষ্ণব, আসাদুজ্জামান আসাদ, দিপক অধিকারী, অর্পণ তালুকদার, হিমকর তালুকদার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি