ভাইয়ে ভাইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা

স্টাফ রিপোর্টার
সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য প্রার্থী হয়েছেন দুই ভাই। নির্বাচিত হতে জোরে শোরে প্রচারণাও চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এদিকে আপন দুই ভাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ঘিরে জমে উঠেছে নির্বাচন। নির্বাচনে জয়লাভের ব্যাপারে দুই ভাই-ই আশাবাদী। আপন দুই ভাইয়ের ভোটযুদ্ধে এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক কৌতুহলের সৃষ্টি করেছে। আগামী ২৮ নভেম্বর সুরমা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ।
জানা যায়, এই ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ মারা যাওয়ার পর উপ-নির্বাচনে ছোট ছেলে এমরান হোসেন নির্বাচিত হন। এবারের নির্বাচনেও এমরান হোসেন ইউপি সদস্য হতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এদিকে তাঁর আপন বড় ভাই আনোয়ার হোসেনও ইউপি সদস্য প্রার্থী হয়েছেন। এমরান হোসেনের প্রতীক নলকূপ এবং আনোয়ার হোসেনের প্রতীক ঘুড়ি।
শহরতলীর ইব্রাহীমপুর গ্রাম নিয়ে দুই নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এই ওয়ার্ডে এবার ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ প্রার্থী। ভোটার রয়েছেন নারী-পুরুষ মিলে ৩ হাজার ১শ’র বেশি। এই ওয়ার্ডে গিয়াস উদ্দিন (তালা), রফিক উদ্দিন (ফুটবল), আব্দুর রউফ (মোরগ), সদ্দন্নুর (আপেল) প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
দুই নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার কুসুম বিবি বলেন, একটি ওয়ার্ডে ২ বা ৩ জন প্রার্থী হলে ভাল হয়। ভোটারগণ বুঝে শুনে ভোট দিতে সুবিধা হয়। এখন সব মিলিয়ে প্রার্থী হয়েছেন ৬ জন। একই পরিবারে ২ ভাই প্রার্থী হয়েছেন। প্রচারণায়ও আছেন তারা। আমরা ভোট কাকে দেবো। সবাই যোগ্য প্রার্থী, বড়ই দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছি।
ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ইচ্ছায় আমি প্রার্থী হয়েছি। আমার বাবার মৃত্যুর পর আমার ছোট ভাই এমরান উপ-নির্বাচনে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়। এবারও নির্বাচনে সে প্রার্থী হয়েছে। এখন পছন্দ হলে আমাকে ভোটারগণ ভোট দেবেন, না হয় তাকে। আমি বিনা স্বার্থে মানুষের সেবা করতে চাই।
ইউপি সদস্য প্রার্থী এমরান হোসেন বলেন, আমার বাবা ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ মারা যাওয়ার পর উপ-নির্বাচনে আমার আত্মীয় স্বজন ও ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলেন। আমার বাবার সেবা করার যে স্বপ্ন সেটি পূরণ করতে চাই আমি। এখন পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আমাকে আত্মীয় স্বজনেরা পুনরায় নির্বাচন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। একই সাথে আমার বড় ভাই আনোয়ার হোসেনও নির্বাচনে অংশ নেন। এতে আমি এলাকার মানুষের কাছে নানা প্রশ্নের সম্মুখিন হচ্ছি।