ভারতকে ঠেকালো দশজনের বাংলাদেশ

সু.খবর ডেস্ক
সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে আজ ভারতের মুখোমুখি হয়েছে লাল-সবুজের বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত দুই দলের লড়াইয়ে কারও জয় হয়নি। ভারতের সুনীল ছেত্রী আর বাংলাদেশের ইয়াসিন আরাফাতের গোলে ম্যাচ শেষ হয় ১-১ সমতায়।
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তাতে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকল বাংলাদেশ। আর প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেল ভারত। বাংলাদেশ পরের ম্যাচ খেলবে ৭ অক্টোবর মালদ্বীপের বিপক্ষে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্বক খেলেছে দুই দল। একাধিকবার বাংলাদেশের সীমানায় আক্রমণ চালিয়েছে ভারত। বাংলাদেশেরও সুযোগ ছিল এগিয়ে যাবার কিন্তু ফিনিশিংয়ের অভাবে বাংলাদেশ এগোতে পারেনি। ম্যাচের ২৬ মিনিটে বাংলাদেশের জালভেদ করেন ভারত অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী। উদান্ত সিংয়ের দুরন্ত পাস থেকে আনিসুর রহমান জিকুকে পরাস্ত করেন ছেত্রী। সর্বশেষ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে এই সুনিল ছেত্রীর জোড়া গোলেই হার মেনেছিল বাংলাদেশ। ৩০ মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার ফ্রি কিক লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
ম্যাচের ৪০তম মিনিটে ভারতের ডিফেন্সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পাল্টা আক্রমণে উঠেছিল বাংলাদেশ। গোলকিপারকে একা পেয়ে শট নিলেও গুরপ্রীত অসাধারণ সেভ করেন।
প্রথমার্ধে ৬৬ শতাংশ বল দখলে রেখে বাংলাদেশের গোলবারের উদ্দেশ্যে মোট ৫টি শট নেয় ভারত। যার ৪টি লক্ষ্যে ছিল। অপরদিকে ৩৪ শতাংশ বল দখলে রেখে ৫টি শটের ১টি লক্ষ্যে রাখে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলশোধের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছ বাংলাদেশ। অন্যদিকে ভারত কাউন্টার দিয়েছে ব্যবধান বাড়াতে। দুই দলের আক্রমণাত্বক ফুটবলে জমে ওঠে ম্যাচ। ম্যাচের ৫২মিনিটে সমতায় যেতে পারতো বাংলাদেশ। ফাকা বক্স পেয়েও সহজ একটি সুযোগ হাতছাড়া করলো বাংলাদেশ। রাকিব বলটা ঠিক জায়গায় রাখতে পারলে নিশ্চিত গোল ছিল। এর ঠিক দুই মিনিট পর ম্যাচের ৫৪ মিনিটে লালকার্ড দেখে বাংলাদেশ। লিস্টন কোলাসো বল নিয়ে গোলের দিকে ছুটছিলেন, তাকে পিছন থেকে টেনে ফেলে দেন বাংলাদেশের বিশ্বনাথ. এতে সরাসরি লালকার্ড দেখান রেফারি। এতে দশজনের দলে পরিণত হয় বাংলাদেশ।
৬৩তম মিনিটে তপু বর্মনের আক্রমণ বক্সের ভেতর প্রতিহত করেন শুভাশিস। ৭৪তম মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার কর্নার কিক থেকে ডি বক্সে বল পেয়ে দর্শনীয় হেডে ম্যাচে সমতা ফেরান ইয়াসিন আরাফাত। এটা তার প্রথম আন্তর্জাতিক গোল। শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায় শেষ হয় দুই দলের লড়াই।
পুরো ম্যাচে ভারতের আধিপত্য ছিল। ৬৮ শতাংশ বল দখলে রেখে বাংলাদেশের গোলবারের উদ্দেশ্যে ১২টি শট নেয় তারা। যার লক্ষ্যে ছিল ৮টি। অপরদিকে ৩২ শতাংশ বল দখলে রেখে ৭টি শটের ২টি লক্ষ্যে রাখে বাংলাদেশ।
সূত্র : সমকাল