মধ্যনগরে মন্ত্রীর কর্মসূচিতে স্থানীয় আ.লীগকে উপেক্ষার অভিযোগ

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের সদ্য ঘোষিত মধ্যনগর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে আয়োজিত কর্মসূচিতে মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগ উপেক্ষিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার বিকেলে মধ্যনগর বাজারের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন নূরীর উপস্থিতিতে সাধারণ সম্পাদক পরিতোষ সরকার এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন। পরিতোষ সরকারের দাবি ওই কর্মসূচির আয়োজক মধ্যনগর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের পক্ষ থেকে তাদের অবগত করা হয়নি। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মধ্যনগর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি আব্দুল মজিদ তালুকদার জানিয়েছেন, শনিবারের কর্মসূচি সম্পর্কে পরিতোষ সরকারসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের অন্যান্যদের জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পরিতোষ সরকার তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন, উপজেলা বাস্তবায়নের জন্য অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। যার প্রেক্ষিতে উপজেলা বাস্তবায়ন হয়েছে। কিন্তু যারা এতোদিন উপজেলা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করেছেন তাদেরকে এ কর্মসূচির ব্যাপারে জানানো হয়নি। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। কর্মসূচিতে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে মধ্যনগর আওয়ামী লীগ কোনো দায়ভার নেবে না। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি প্রভাকর তালুকদার পান্না, সাংগঠনিক সম্পাদক অনুজ কান্তি দে, যুব ক্রীড়া সম্পাদক রিপন সরকার, সহ-প্রচার সম্পাদক গোপাল সরকার, সহ-দপ্তর সম্পাদক সুধীন সরকার, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক রানু ভট্টাচার্য, সদস্য দেবাশীষ তালুকদার দীপু, লিটন দত্ত।
মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম ফারুকী বলেন, অসাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করেছেন জেলা আওয়ামী লীগ। এখন পর্যন্ত কোনো কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেয়নি জেলা কমিটি। শনিবারের কর্মসূচি সম্পর্কে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ অবগত আছি। মুষ্টিমেয় ব্যক্তিরা উপজেলার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতেই এমনটি করছে।
থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মধ্যনগর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি আব্দুল মজিদ তালুকদার বলেন, আমাদের প্রস্তুতি মিটিংয়ে থাকার সভাপতি (স্থানীয় আ.লীগ) একাধিকবার ফোন করা হয়েছে। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি। সাধারণ সম্পাদককে (স্থানীয় আ.লীগ) আমি ফোনে জানিয়েছি। তিনি তা অস্বীকার করতে পারেন না। তবে সাধারণ সম্পাদক পরিতোষ সরকার জানিয়েছেন, তাকে কোনো ফোন করা হয়নি।