‘মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করেছেন তিনি’

স্টাফ রিপোর্টার
‘ডা. এম এ করিম গণমানুষের মুক্তির জন্য রাজনীতি করেছেন, আত্মপ্রতিষ্ঠার জন্য নয়। ১৯৪৬ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন। মেডিকেল টিম নিয়ে দাঙ্গাপীড়িত বিহারে গেছেন। সাম্রাজ্যবাদ ও দালাল সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৫০ সালে জগন্নাথ কলেজে অধ্যয়নকালে তিনি ঐ কলেজের ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র আন্দোলন, ‘৫৪ নির্বাচনসহ সর্বত্রই তাঁর ছিল অবাধ বিচরণ। আওয়ামী মুসলিম লীগ, ন্যাপ, যুবলীগ গঠনে ছিলেন সরব।’
জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাপ্তাহিক সেবা পত্রিকার পত্রিষ্ঠাতা সম্পাদক ডা. এম.এ করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, গণমানুষের চিকিৎসা সেবায় ডা. এম এ করিম অদ্বিতীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী ব্যক্তিত্ব। তিনি আজীবন অত্যন্ত স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে গিয়েছেন। শ্রমিক দিনমজুর নিম্নবিত্তদের চিকিৎসক হিসেবে তিনি ছিলেন সমধিক পরিচিত ছিলেন। এদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে তিনি সাম্রাজ্যবাদের মুনাফা লুটার বাজার হিসেবে দেখতেন। এজন্য চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন তিনি।
শুক্রবার বিকালে জেলা জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের আয়োজনে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি পাবলিক লাইব্রেরীতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এনডিএফ সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক শাহীন আলম।
জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট জেলা শাখার সভাপতি রতœাংকুর দাস জহরের সভাপতিত্বে এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম ছদরুলের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন কবি ইকবাল কাগজী, জেলা কৃষক সংগ্রাম সমিতির সভাপতি অ্যাড. নিরঞ্জন তালুকদার, জাতীয় ছাত্রদল জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুখেন্দু তালুকদার মিন্টু।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট জেলা কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রদল জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক মো. রিদওয়ানুল হক নিহাল, আহবায়ক শুভ তালুকদার, জেলা মহিলা সমিতির আহবায়ক দিপ্তী সরকার, স’মিল শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় সভাপতি আইয়ুবুর রহমান, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সদর থানার সভাপতি কাদির মিয়া।