যে সড়কে চলাচলে ছিটকে পড়ে কাদা

আকরাম উদ্দিন
শহরে আসা-যাওয়ার হাজারো মানুষের একমাত্র চলাচল পথ নতুন হাছননগর এলাকায় মাদ্রাসা পয়েন্টের মেইন সড়ক। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে এই সড়ক বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সড়কের সংস্কার কাজ না হওয়ায় বিভিন্ন স্থানের মানুষজন শহরে আসতে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সড়কের দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয়রা জানান, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানের মানুষজনসহ কুরবাননগর ও মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের একাধিক গ্রামের মানুষ এই একমাত্র সড়ক দিয়ে শহরে আসা-যাওয়া করেন। এই এলাকায় সরকারী শিশু পরিবার এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্রও রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার হাজারো মানুষ প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে আসা-যাওয়া করেন। এই সড়কে চলাচলে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন রোগী এবং গর্ভবতী মায়েরা। স্থানীয় মানুষেরা বিভিন্ন সময়ে দাবি জানিয়ে আসলেও সড়কটি দীর্ঘ চার বছর ধরে সংস্কার কাজ হচ্ছে না। এই কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন চলাচল করছে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে।
পথচারী সাজন আহমদ সারেং ও সুহেল মিয়া বলেন, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এই সড়কে কেউ চলাচল করে না। গত সপ্তাহে এই সড়কে যানবাহনে চলাচলের সময় তারা দুর্ঘটনায় পড়েন। সড়কটি সংস্কারের দাবি তাদের।
মসজিদের মোতাওয়াল্লি হাজী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, হাছননগর মাদ্রাসা পয়েন্ট এলাকায় সড়ক ভাঙা থাকায় বৃষ্টির পানি জমে কাদার সৃষ্টি হয়। এই ভাঙা সড়কে যানবাহন চলাচল করলে কাদা ছিটকে পড়ে পাশে চলাচলকারী মানুষের জামা কাপড় নষ্ট হয়। সড়ক মেরামত জরুরি হয়ে পড়েছে।
সুনামগঞ্জ পৌর ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মো. নোয়াজ আহমদ বলেন, এই সড়ক দিয়ে বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের মানুষসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষজন শহরে আসা-যাওয়া করেন। কিন্তু সড়কের সংস্কার কাজ না হওয়ায় মানুষের ভোগান্তি বেড়েই চলছে এবং যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি বেড়েছে।
সুনামগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মোশারফ হোসেন বলেন, নতুন হাছননগর এলাকার মাদ্রাসার সামনের সড়কটি মেরামত কাজের জন্য ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। দরপত্রও আহ্বান করা হয়েছে। মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি আমাদের জানা আছে। অতি শীঘ্রই সড়ক মেরামতের কাজ শুরু হবে।