রক্ষক যখন ভক্ষক

স্টাফ রিপোর্টার
জেলা বনবিভাগ রেঞ্জের নার্সারীর গাছ কেটে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করছেন করছেন কর্মচারীরা। সরকারি গাছ কেটে এরকম নিজেদের জ্বালানিতে ব্যবহার করার ক্ষোভ জানিয়েছেন এলাকাবাসি। তারা বলছেন, গাছ কেটে জ্বালানির কাজে ব্যবহার করা পরিবেশ বান্ধব নয়।
জানা যায়, শহরের মল্লিকপুরে বনবিভাগের নার্সারির ভেতরে ২ টি পুকুর রয়েছে। পুকুরগুলোতে কর্মচারীরা মাছ চাষ করেন। ভেতরে গাছগুলো কেটে করে কর্মচারীরা নিজেদের কাজে ব্যবহার করেন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নার্সারীর ভেতরের একসারি বড় বড় ৫ টি গাছের শাখা-প্রশাখা কেটে ফেলা হয়েছে। কর্মচারীদের কোর্য়াটারের সামনে সেগুলো দিয়ে জ্বালানির কাঠ তৈরি করা হচ্ছে। নার্সারীর গেইটের সামনের ছোট একটি গাছও কাটা হচ্ছে। কালিপুরের
বাসিন্দা উকিল মিয়া বলেন, সরকারি গাছ কাটলে তো টেন্ডার দিতে হয় জানি। ভিতরে নার্সারীর দায়িত্বে যারা আছেন তারা গাছগুলো কেটেছেন। ৫ টি গাছ যেভাবে মোড়ানো হয়েছে বাঁচবে বলে মনে হয় না।
জেলা বন অফিসের সহকারী বন সংরক্ষক জি. এম. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমি সিলেটে একটা কাজে আসছি। গাছ কাটার বা ছাঁটাইয়ের ব্যাপারে এখনো কিছু জানি না। গাছ কাটতে গেলে তো দরপত্র আহবান করতে হয়।
ফরেস্ট রেঞ্জার মো. ফখরুল আলম খান বলেন, এসএ সাব আমাকে বলেছেন নার্সারীর চারা গাছ রোপনের জন্য গাছ গুলোর ডাল পালা ছাঁটাই করা হয়েছে। তবু আমি আগামীকাল নার্সারীতে সরজমিনে গিয়ে দেখবো বিষয়টা।