রামেশ্বরপুর-আলমপুর সড়ক উন্নয়নের দাবি

আকরাম উদ্দিন, সরেজমিন
চলতি বছরের ৪ দফা বন্যা ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সদর উপজেলার রামেশ্বরপুর হতে আলমপুর, কান্দাগাঁও ও নুরপুর এলাকায় সড়কের বেহাল অবস্থা হয়েছে। এই সড়কের দ্রুত উন্নয়নের দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয়রা জানান, বিগত ৭ বছর ধরে এই সড়কের উন্নয়ন কাজ হয়নি। ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভাঙাচোরা ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বছরের ৪ বারের বন্যা ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন মানুষ ও যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
বেতগঞ্জ বাজারের উত্তর দিকে রামেশ্বরপুর-আলমপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। চরমহল্লা আইডিয়াল স্কুলের সামনে খালের উপর নির্মিত সেতুর উভয় পাশে পাকা সড়কে বড় আকারের একাধিক ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। নুরপুর এলাকায় এবং কান্দাগাঁও গ্রামের বিভিন্ন স্থানে সড়কে ভাঙন রয়েছে।
রামেশ্বরপুর গ্রামের বাসিন্দা ওসমানগণী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কের উন্নয়ন কাজ হচ্ছে না। সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে মানুষ হেঁটে চলাচল করলে দুর্ঘটনায় পড়তে হয়। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।
কান্দাগাঁও গ্রামের আব্দুল মালিক বলেন, উন্নয়ন কাজ না হওয়ায় সড়ক এখন নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে। এই এলাকার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রামেশ্বরপুর-আলমপুর সড়ক। এই সড়কের উন্নয়ন জরুরি প্রয়োজন।
আলমপুর গ্রামের আকিক মিয়া বলেন, এই সড়কে মানুষ তো দুরের কথা এখন গরু চলাচল করলেও দুর্ঘটনা ঘটে। পাকা সড়ক ভেঙে রড বেরিয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই সড়কের উন্নয়ন জরুরি প্রয়োজন।
লালারচর গ্রামের অশেষ চন্দ্র পাল বলেন, এই এলাকার সড়ক রামেশ্বরপুর থেকে শুরু করে আলমপুর, কান্দাগাঁও, নুরপুর, লালারচর ও বুড়িস্থল গ্রামের পাশে অবস্থিত। এই সড়ক বেতগঞ্জ বাজারে যোগাযোগের বাইপাস সড়ক। কিন্তু বিভিন্ন স্থানে সড়কে ভাঙন থাকায় যানবাহন ও মানুষ যাতায়াত এখন অনেকটা কম। সড়কের উন্নয়ন কাজ হলে এলাকার কয়েক হাজার মানুষের বেতগঞ্জ বাজার ও শহরে আসা-যাওয়া সহজ হবে।
সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, রামেশ্বরপুর থেকে শুরু করে আলমপুর, কান্দাগাঁও, নুরপুর এলাকার সড়কের উন্নয়নের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।