লালারচরের গোচারণ ভূমি উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার
শহরতলির লালারচর গ্রামের পাশের প্রায় ৩ একর গোচারণ ভূমি অবৈধ দখলদারের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রামবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে রোববার সকালে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরিফ আদনানের নেতৃত্বে ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা সরেজমিনে গিয়ে এই সরকারী গোচারণ ভূমি উদ্ধার করেন।
সদর উপজেলার কুরবাননগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লালারচর গ্রামে কাইড়ঘাট মৌজার ১১৮ নম্বর জেএল, ২৮৪৪ দাগের ৭৫ শতাংশ সরকারী গোচারণ ভূমি দখল করে দুটি পুকুর খনন করে মাছের চাষ করে আসছিলেন শহরের পুরাতন বাসস্টেশন এলাকার বাসিন্দা পার্থ সারথী পুরস্কায়স্থ। এলাকাবাসী সরকারি জমিতে গোচারণ ভূমি উদ্ধারের জন্য জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি)’এর নিকট লিখিত আবেদন করেন। পরে এ নিয়ে সমকাল’এ সংবাদ প্রকাশ হয়।
রোববার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ আদনানের নেতৃত্বে ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা কর্মচারীরা সরেজমিনে গিয়ে সরকারী জমি চিহিৃত করে লালা পতাকা টাঙিয়ে আসেন।
সহকারী কমিশনার মো. আরিফ আদনান বলেন, এই জমি যার দখলে ছিল, আমরা তাঁকে প্রায় ১ মাস যাবত বলে আসছিলাম তিনি যেন পুকুর ভরাট করে আগের মতো করে দেন। কিন্তু তিনি সরকারী জমি স্বীকার করলেও পুকুর ভরাট করে দেন নি। এজন্য আমরা সরকারী জমিতে লাল পতাকা চিহ্নিত করে দিয়ে এসেছি। আশপাশের সরকারী জমিও উদ্ধার করা হবে।
পার্থ সারথী পুরস্কায়স্থ এ প্রসঙ্গে বলেন, উদ্ধারকৃত গোচারণ ভূমি সরকারী জমি স্বীকার করছি। সরকারী জমিতে আমি পুকুর খনন করি নি। আমার রেকর্ডীয় জমিতে যাওয়ার জন্য সড়ক করেছি। এই জমি বন্দোবস্ত চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে সম্প্রতি আবেদনও করে রেখেছি। আমার আশপাশে অন্যদের দখলেও সরকারী জমি রয়েছে।