শান্তিগঞ্জে নির্মাণের বছর না যেতেই সুবর্ণ জয়ন্তী চত্বরে ফাটল

শান্তিগঞ্জ অফিস
নির্মাণের এক বছর না যেতেই শান্তিগঞ্জে উপজেলা পরিষদ স্মৃতিসৌধ ও সুবর্ণ জয়ন্তী চত্বরের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দেখা দিয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গত ৫ মার্চ উপজেলা পরিষদ স্মৃতিসৌধ ও সুবর্ণ জয়ন্তী চত্বর নির্মাণ করা হয়েছিল। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের বাস্তবায়নে এটি নির্মাণে ব্যয় হয় ১৬ লক্ষ টাকা।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, চত্বরের ফ্লোরের বিভিন্ন জায়গায় বেশ কয়েকটি ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, নিম্নমানের সামগ্রী এবং সঠিক জায়গা নির্ধারণ ও সয়েল টেস্ট না করিয়ে চত্বর নির্মাণ করায় এভাবে ফাটল ধরেছে।
এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া জানান, আমাদের মূল চত্বরে কোন ফাটল ধরেনি চত্বরের উত্তর পাশের উপজেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীর হেলে যাওয়া চত্ত্বরের ফ্লোরের ইট সলিংয়ে ফাটল ধরেছে। আমরা মাটি ভরাটের এক প্রকল্প নিয়ে সীমানা প্রাচীরের উত্তর পাশ ভরাট করার পর ফ্লোর মেরামত করে দিব।
এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক নুর হোসেন বলেন, এই কাজের বাস্তবায়ন ও প্রকৌশলগত কাজ করেছে পিআইও অফিস। আমি তো এই লাইনে অভিজ্ঞ নই, তারা ভালভাবে যাচাই করে কাজটা করলে এত দ্রুত সময়ে চত্ত্বরের ফ্লোরে ফাটল ধরত না। বর্তমানে চত্ত্বরের উত্তর সাইডে মাটি ভরাট করে যে যে জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে তা নতুনভাবে সংস্কার করা হবে।
এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার উজ জামান বলেন, স্মৃতিসৌধের উত্তর পাশে মাটি ভরাট না থাকায় কিছু অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। বর্তমানে সাইডে মাটি ভরাটের কাজ চলছে। মাটি ভরাট শেষে ফাটল অংশ সংস্কার করে দেওয়া হবে।