শারদীয় দুর্গোৎসব/ জোর প্রস্তুতি চলছে মণ্ডপে মণ্ডপে

স্টাফ রিপোর্টার
মহালয়ার মাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। শুরু হলো দুর্গোৎসবের ক্ষণগণনা। বন্যার বিষাদ ভুলে শারদীয় দুর্গা পূজার শেষ প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পহেলা অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে পাঁচ দিনব্যাপি শারদীয় দুর্গোৎসব। উৎসবকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন পূজা মন্ডপের প্রতিমা নির্মাণ শিল্পীরা। পূজা উদযাপন কমিটিগুলোর নেই দম ফেলার অবকাশ। পৌর শহরের প্রায় সব মণ্ডপে রঙ তুলির আঁচড়ে মূর্ত হয়ে উঠেছে দেবীর রূপ। রঙের কাজ শেষে বাকি থাকবে শুধু গহনা দিয়ে অঙ্গসজ্জার কাজ। সেটিও দু একদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। প্রতিমার পাশাপাশি চলছে উৎসব স্থলের প্যান্ডেল, গেইট নির্মাণ ও আলোকসজ্জার কাজ।
এবার সুনামগঞ্জ জেলায় সার্বজনীন ৩৯৩ টি ও ব্যক্তিগত ৩১ টি সহ মোট ৪২৪টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের চেয়ে এবার মন্ডপের সংখ্যা বেড়েছে ৫ টি। শারদীয় দুর্গা উৎসব সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ভাবে উদযাপন করতে পূজা উদযাপন পরিষদ সহ মন্ডপের দায়িত্বশীলদের সাথে মতবিনিময় ও প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন করেছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।
এদিকে প্রতিমা শিল্পীরা বলছেন, ২৪ ঘন্টাই কাজ করতে হচ্ছে। প্রতেকটি মিনিট এখন অনেক মূল্যবান। কারণ পূজার সময় ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে তাদের কাজে বিঘ্ন ঘটছে।
ময়মনসিংহ থেকে সুনামগঞ্জে প্রতিমা নির্মাণ করতে আসা অদিত চন্দ্র পাল বলেন, আমরার এখন কথা কওয়নের সময় নাই। দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে। বিদ্যুতের বিভ্রাটে আমাদের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। আমরা বিরাট সমস্যায় আছি।
দুর্গাবাড়ি পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী বললেন, সুনামগঞ্জ সম্প্রীতির শহর। দুর্গা পূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের হলেও এখন এটা সার্বজনীন উৎসবে রূপ নিয়েছে। আশা করছি এবারও আমরা মিলে মিশে উৎসব পালন করতে পারবো।
পূজা উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি অ্যাড. বিমান কান্তি রায় বলেন, পূজাকে ঘিরে সকল ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি কেন্দ্রে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সিসি ক্যামেরা সহ নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।