শিক্ষার বাতিঘর ছিলেন তিনি

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি
দোয়ারাবাজারে মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন হেলাল-খসরু হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন হেলাল-খসরু হাইস্কুলের মাঠে শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বজলুল হাসান চৌধুরী।
সহকারী শিক্ষক মছদ্দর আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ডা. আব্দুর রহিম, সাবেক সিভিল সার্জন মো. আব্দুল হাকিম, জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আজাদ রুমান, জেলা সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এনাম আহমদ, লক্ষীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিরুল হক, জেলা আইনজীবী সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক এপিপি অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান ছায়াদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. সফর আলী, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমদ, সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমদ, লক্ষিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মফিজ আলী, টেংরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম, সমুজ আলী স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ অসিম মোদক, সহকারী শিক্ষক নুর মোহাম্মদ, সাইদুল ইসলাম জিলান, আলী আকবর, জয়নাল আবেদীন, জেলা যুব ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের, বিএনপি নেতা হারুন অর রশিদ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম জহির, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান স্বপন, রোয়াব আলী, এমদাদুল হক মামুন, ছাত্রলীগ নেতা তাহের আহমেদ মন্টি প্রমুখ।


শোকসভায় দোয়ারাবাজার উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
শোকসভায় বক্তারা বলেন, ১৯৯৬ সালে দোয়ারাবাজার উপজেলার নিজ গ্রাম লক্ষ্মীপুরে সাবসেক্টর কমান্ডার এ. এস. হেলাল উদ্দিন ও বজলুল মজিদ চৌধুরী দুজনের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করেন ‘মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন হেলাল-খসরু হাই স্কুল’। সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে একইভাবে তাঁরা প্রতিষ্ঠা করেন ‘মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন হেলাল শিক্ষা ট্রাস্ট’। তিনি জেলার সর্বজন পরিচিত একজন শিক্ষার বাতিঘর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আমরা চিরদিন তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করব। এই মহাপুরুষ তাঁর কর্মগুণে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন যুগ যুগন্তরে।