শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পূজার কেনাকাটা

স্টাফ রিপোর্টার
পূজাকে কেন্দ্র করে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। পোশাক, প্রসাধনী এবং পূজা-অর্চনার উপকরণ দোকানে বেশি ভিড় করছেন ক্রেতারা। আজ শনিবারও ক্রেতাসমাগম থাকবে বলছেন বিক্রেতারা। পৌর শহরের দোজা শপিং সেন্টার, নেজা প্লাজা, লন্ডন প্লাজা, সুরমা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন মার্কেট, ভার্মিলিয়ান সহ অন্যান্য শপিং সেন্টারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
বিক্রেতারা জানান, এবারের পূজার বাজারে মেয়েদের থ্রি-পিস, সালোয়ার-কামিজ, স্কার্ট-টপস, লেহেঙ্গা, বারবিকিউ শাড়ি, কাতান শাড়ি, সিল্কের শাড়ির চাহিদা বেশি। ছেলেদের ফতুয়া, পাঞ্জাবি-পায়জামা, শার্ট, ফুলপ্যান্ট, টি-শার্ট ও জিন্স এবং বাচ্চাদের নানা রঙের পোশাকের সমাহার রয়েছে বিভিন্ন শপিংমলে।
দিপা দাশ ও প্রণতি তালুকদার বললেন, নিজের জন্য কাতান শাড়ি, আমার বেবীদের জন্য পার্টি ড্রেস কিনেছি। আরও কিছু কিনার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু দাম অন্য বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। এইজন্য আর কিনছি না।
শহরের জামাইপাড়া রোডে ভার্মিলিয়ান’র কারিমা বেগম বলেন, আমরা সিল্কের শাড়ি বিক্রি করে থাকি। প্রতিটা শাড়ি ২৭শ’ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা করে বিক্রি করছি। মোটামুটি ভালোই বিক্রি হচ্ছে।
শহরের সেলিমগনি মার্কেটের কিশু ফ্যাসন এর পরিচালক কৃষ্ণ রায় বললেন, এবারের পূজায় ছেলেদের জন্য নতুন ডিজাইনের থ্রি-কোয়ার্টার হাতা, হটি-শার্ট এসেছে। করোনার জন্য গত বছর কম বিক্রি হয়েছিল। এবার বিক্রি বেশ ভালো।
একই মার্কেটের একে গার্মেন্টস এর পরিচালক বললেন, মোটামুটি বিক্রি হচ্ছে, বেবীদের ফ্রগ, ফতোয়া, শার্ট, পেন্ট, গেঞ্জি বিক্রি করছি। আজ শনিবারও ক্রেতা সমাগম হবে।
ক্রেতা হেনা তালুকদার বলেন, এবার পোষাকের দাম খুব বেশি। তবুও উৎসব তো পালন করতে হবে। শাড়ি সহ পূজার যা যা লাগে সবই মোটামুটি কিনেছি।
পিংকি তালুকদার বললেন, আমি জামদানী শাড়ি কিনেছি। বেবীদের জন্যও পোষাক কিনেছি।
এহসান মার্কেটের নিউ কাকলী গার্মেন্টস’র রতন দাস বললেন, ক্রেতা ভালোই আসছেন। বিশেষ করে শাড়ি বিক্রি হচ্ছে বেশি।