শেষ সময়ে বেড়েছে দাম, চাহিদাও বেশি

আকরাম উদ্দিন
সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের হাসাউড়া এলাকায় একাধিক পাহাড়-টিলায় এখনও উৎপাদন হচ্ছে সুস্বাদু আনারস। প্রতিদিন শহরের বাজারে বিক্রি হচ্ছে এই আনারস। মূল্য তুলনামূলক বেশি। তবে সুস্বাদু হওয়ায় চাহিদাও রয়েছে প্রচুর। আকার ভেদে প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৪০ টাকায়। এই আনারস আরও ১৫দিন বাজারে পাওয়া যাবে বলে জানান একাধিক ব্যবসায়ী।
একাধিক খুচরা ব্যবসায়ী জানান, এবার আনারসের বাগের মালিকেরা এখনও আনারস নিয়ে আসছেন বাজারে। হাসাউড়ার আনারস বাজারে এসেই খুঁজেন ক্রেতারা। আমরাও দামে বিক্রি করি। আরও দুই সপ্তাহ এই আনারস বাজারে আসবে।
বাগের মালিক ও পাইকারী বিক্রেতা জমশেদ আলী, আকবর আলী, ছমরু মিয়া, আব্দুল জলিল, ইসলাম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম, নুর উদ্দিন, লুৎফুর রহমান, রুবেল মিয়া ও আব্দুর রহিম জানান, এবার হাসাউড়ার আনারসের ফলন হয়েছে বেশ ভাল। এই কারণে এখন পর্যন্ত বাগ থেকে আনারস এনে বিক্রি করা যাচ্ছে। মৌসুমের শেষ সময়ের দাম একটু বেশি হলেও বাজারে এই আনারসের চাহিদা অনেক। হাসাউড়ায় সারা বছর আনারসের চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।
ক্রেতা বিশ্বজিৎ দে বিষু বলেন, রসে ভরা হাসাউড়ার আনারস। এই আনারস সারা বছর সুস্বাদু থাকে। সারা বছর চাষ হলে মানুষ খেতে পারবে।
অপর ক্রেতা এনামুল হক জুবের বলেন, এবার দীর্ঘ সময় ধরে হাসাউড়ার আনারস বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। সকল ঋতুতে আনারস পাওয়া গেলে জেলা ও বাইরের মানুষের চাহিদা মিটবে।
সদর উপজেলা কৃষি অফিসার সালাহ উদ্দিন টিপু বলেন, এবার হাসাউড়ার আনারস উৎপাদন ভাল হয়েছে। সারা বছর আনারস উৎপাদনের পরিকল্পনা আছে আমাদের। তবে এ ক্ষেত্রে চাষীদের প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে কৃষি কাজে আরও দক্ষতা বাড়াতে হবে। পোকা মাকড় দমন, সঠিক পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ, ভিটামিন ও হরমোন জাতীয় ওষুধ স্প্রে করলে আনারসের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।