- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://sunamganjerkhobor.com -

সংক্রমণ বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী

সু.খবর ডেস্ক
চলতি বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অক্টোবরের মাঝামাঝি খোলার কথা থাকলে সেই তারিখ এগোতে পারে।
অন্যদিকে মেডিক্যাল কলেজ ও মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলবে ১৩ সেপ্টেম্বর।
সংক্রমণ পরিস্থিতি কমে যাওয়ায় দেড় বছর ধরে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিতে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
শুরুতে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী, এ বছরের এসএসসি এবং আগামী বছরের এইচএসসির শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন স্কুল-কলেজে নিয়ে আসা হবে। আর অন্য শ্রেণিগুলো সপ্তাহে একদিন আসবে।
স্কুল-কলেজ খোলার রোডম্যাপ ঘোষণাকালে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সংক্রমণ বেড়ে গেলে স্থানীয় পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকার কারণে কোথাও যদি আমরা কখনও মনে করি যে, সংক্রমণ বাড়ার কোনো সম্ভাবনা আছে, সেখানে আমরা সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো। এমনকি যদি স্থানীয় পর্যায়ে কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই কারণে বন্ধ করে দেওয়ার প্রয়োজন হয় আমরা সেই সিদ্ধান্ত নেবো। কারণ কোনোভাবেই আমরা শিক্ষার্থী-শিক্ষক-অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিকে অবহেলা করবো না।
পিইসি-জেএসসি-জেডিসি ও বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি থাকবে
আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে উচ্চ মাধ্যমিকস্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর পিইসি-জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা এবং অন্য শ্রেণিগুলোর বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।
দীপু মনি বলেন, পিইসি (প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী), জেএসসি, জেডিসি পরীক্ষা নেওয়ার সার্বিক প্রস্তুতি আমাদের নেওয়া থাকবে। অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে যদি দেখি পরীক্ষাগুলো নেওয়া সম্ভব, তাহলে আমরা নেব ইনশাল্লাহ।
বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগে খুলি। সেই পরিস্থিতি যদি থাকে, এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা যদি আমরা নিতে পারি তাহলে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া বিষয় না। আশা করি, সংক্রমণের হার বাড়বে না।
সূত্র : বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

  • [১]