সুনামগঞ্জে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির গণশুনানি

স্টাফ রিপোর্টার
গত ১৭ মার্চ সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির বাংলাদেশে মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্ত গণকমিশনের উদ্যোগে তদন্ত ও গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল থেকে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন নোয়াগাঁও গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্য নেন। দিরাই উপজেলা কনফারেন্স হলে এ গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ড. তুরিন আফরোজ, আসিফ মুনির, কাজি মুকুল প্রমুখ।
তদন্ত কমিটির নেতৃবৃন্দ নোয়াগাঁও গ্রামের সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বক্তব্য গ্রহণ করেন। ভুক্তভোগীরা তাদের জানান, হামলার আগে মিছিল, মিটিং করে মসজিদের মাইকে প্রচার করে হামলায় অংশ নিয়েছিল তারা। হামলার আভাস পেয়ে তারা প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় রাজনীতিবিদদের সহায়তা চেয়েও পাননি। ফলে দিরাই ও শাল্লা উপজেলার ৬টি প্রামের লোকজন মামুনুল ও বাবু নগরীর নামে স্লোগান দিয়ে গ্রামে প্রবেশ করে হামলা ও লুটপাট করে। হামলাকারীরা ৮৮টি ঘর ভাংচুর, ৫টি পারিবারিক মন্দিরও ভাংচুর করে। এ ঘটনায় তারা দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করতে চাইলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে তদন্ত দলকে জানান।
তদন্ত কমিশন বীর মুক্তিযোদ্ধা অনিল চন্দ্র দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা জগত চন্দ্র দাস, ঝুমন দাশ আপনসহ গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার বক্তব্য দেন।
তদন্ত কমিশনের প্রধান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, আমরা ভুক্তভোগী পরিবারের বক্তব্য নিয়েছি। গণশুনানীতে এলাকার অনেকেই কথা বলেছেন। আমরা শিঘ্রই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেব।