সড়কের ভাঙা ঢালাইয়ের টুকরো কাজে ব্যবহারে আপত্তি স্থানীয়দের

স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জ পৌরসভার কালীপুর গ্রামের ভাঙা সড়ক মেরামত কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু কাজের শুরুতেই সড়কের ভেঙে যাওয়া পাকা ঢালাইয়ের টুকরো মেগাডাম করে সড়কের বর্দ্ধিতকরণ স্থানে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কারণে আর.সি.সি ঢালাই টেকসই হবে না মনে করছেন স্থানীয়রা।
সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়ক থেকে শুরু হওয়া কালীপুর সড়কের শেষ প্রান্তে মকবুল মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে মেরামত কাজ শুরু হয়েছে। এই সড়কটি সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত।
স্থানীয়রা জানান, ভেঙে যাওয়া পাকা সড়কের ঢালাইয়ের টুকরো মেগাডাম করে কালীপুর এলাকায় বর্দ্ধিত সড়কের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কারণে আর.সি.সি ঢালাই টেকসই হবে না। এই স্থানে ইটের কোয়া বা পাথর ব্যবহার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আহমদ নুর জানান, ঠিকাদারের লোকজন বলেছেন, ভেঙে যাওয়া পাকা সড়কের ঢালাইয়ের টুকরো সড়কের বর্দ্ধিত স্থানে ব্যবহার করার পর রোলার মেশিন ব্যবহার করা হবে। তখন সড়কের আর.সি.সি ঢালাইয়ের কাজ টেকসই হবে। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর কাউন্সিলর খুর্শেদ আলম যুক্তরাষ্ট্রে আছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার নুরুল মোমেন বলেন, ভাঙা সড়কের ঢালাই ভেঙে টুকরো করে দেওয়ার পর ভাল করে ধুর্মুজ করে পানি দিয়ে রোলিং করতে হবে। এরপর বালু-পাথর দিয়ে আবারও রোলিং করতে হবে। তবেই আর.সি.সি ঢালাই টিকবে। নইলে কয়েকদিন পর নিচের দিকে নেমে যাবে সড়ক।
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মোশারফ হোসেন জানান, কালীপুর সড়কের যে স্থানগুলো ভেঙে গেছে, সেই স্থানগুলোর মেরামত কাজ হবে। পুরো সড়ক আর.সি.সি ঢালাই করা হবে। মেরামত সড়কের ভাঙা অংশ ভেঙে পাকার টুকরোগুলো সাইটে দেওয়া হচ্ছে। এটার উপর বালু ও পাথর দেয়া হবে। পরে রোলিং করে আর.সি.সি ঢালাই করা হবে। সড়কের কাজ টেকসই করার সকল চেষ্টা রয়েছে আমাদের।