সড়ক দখল করে ইজিবাইক স্ট্যান্ড

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
সড়কের দক্ষিণপাশে কয়েকশ গজ জায়গা জুড়ে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয় ইজিবাইক। ফলে যাত্রীদের সড়কের বেশিরভাগ অংশই থাকে ইজিবাইকের দখলে। এসব সারিবদ্ধ ইজিবাইকের পাশ দিয়ে রিকশা, ইজিবাইক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে কখনও কখনও দীর্ঘ সময় ধরে লেগে থাকে যানজট। এ সময় জরুরি প্রয়োজনে জায়গাটি অতিক্রম করতে গিয়ে পথচারীদের বিপাকে পড়তে হয়। অস্থায়ীভাবে ইজিবাইকের স্ট্যান্ড গড়ে ওঠায় ধর্মপাশা-জয়শ্রী সড়কের শয়তানখালী সেতুর পূর্বপাশে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
শয়তানখালী সেতুর পূর্বপাশ থেকে ইজিবাইকে যাত্রীরা হলিদাকান্দা, বাহুটিয়াকান্দা, মহদিপুর, কান্দাপাড়া, রাধানগর, কেশবপুর, কাইকুরিয়া, ঘুলুয়া, মেউহারিসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে থাকেন। সেই সুযোগে ইজিবাইক চালকেরা সেখানে ইজিবাইজের অস্থায়ী স্ট্যান্ড গড়ে তুলেন। এতে শয়তানখালী সেতুতে উঠতে কিংবা নামতে গিয়ে যানবাহন উল্টে ঘটে দুর্ঘটনা। সড়কের দক্ষিণপাশে অপরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণ করায় সড়ক অনেকটা সরু হয়ে গেছে। ফলে সড়কে ইজিবাইক সারিবদ্ধভাবে রাখায় সহজেই যানজট তৈরি হয়। শয়তানখালীর সরু সেতুটিও সারাদিন মৌসুমী ব্যবসায়ী আর রিকশাওয়ালাদের দখলে থাকে। বৃহস্পতিবার এ বাজারে হাট বসায় ওই সেতুর ওপর প্রচন্ড ভীড় হয়। এতে করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ এ রুটে চলাচলকারী জনসাধারণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মী চয়ন কান্তি দাস বলেন, ‘সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।’
সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম আহম্মদ বলেন, ‘সেতুর পূর্বপাশে অস্থায়ী স্ট্যান্ড গড়ে ওঠায় যানবাহন চলাচলের স্বাভাবিক পরিবেশকে বিঘিœত হচ্ছে। তাই দ্রুত ওই স্ট্যান্ড অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।’
নির্ধারিত জায়গা পাওয়া গেলে স্ট্যান্ড করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনতাসির হাসান বলেন, ‘স্থানীয় ব্যবসায়ীরা যদি তাদের দোকানের সামনে যানবাহন রাখতে না দেয় তাহলে এ সমস্যাটি থাকবে না। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদেরকে চিঠি দেওয়া হবে।’