১১ বছর পর শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ

ধর্মপাশা প্রতিনিধি
২০১০ সালের ৮ জুন ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ও পাইকুরাটি ইউনিয়নের শৈলচাপড়া হাওরের মধ্যবর্তী স্থানে ঝড়ো বাতাসের কবলে পড়ে ট্রলার ডুবিতে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নিহতদের মধ্যে ছিল বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩ জন, বাদশাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫ জন শিক্ষার্থী এবং পাইকুরাটি ইউনিয়নের বালিজুড়ি গ্রামের ৩ জন নারী ও ৫ জন শিশু। নিহত শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাইকুরাটি ইউনিয়নের বালিজুড়ি গ্রামে। অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বর্ষায় শিক্ষার্থীদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌকা বা ট্রলার। ওই দূর্ঘটনার পর থেকেই শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা করে একটি ট্রলার বা পরিবহণের দাবি উঠেছিল। দীর্ঘ বছর সেই দাবি উপেক্ষিত ছিল। এবার ১১ বছর পর সে দাবি পূরণ হয়েছে।
পাইকুরাটি ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে এলজিএসপি-৩ প্রকল্পের আওতায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য একটি স্টিলবডি ট্রলার প্রদান করা হয়েছে। রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় ওই ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সামনে মনাই নদীতে এ ট্রলারের উদ্বোধন করেন স্থানীয় এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। এতে করে বর্ষায় বালিজুড়িসহ রাজাপুর, রায়পুর, হিজলা গ্রামের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের পথ সুগম হলো। এ সময় অন্যানের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকন, ইউএনও মো. মুনতাসির হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেদুয়ানুল হালিম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস, পাইকুরাটি ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌসুর রহমান প্রমুখ। পরে এমপি রতন উপজেলা পরিষদ চত্বরে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পের রুলার পাইপড ওয়াটার সাপ্লাইয়ের আওতায় ওয়াটার সাপ্লাই স্থাপন কাজেরও উদ্বোধন করেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ৫ কিলোমিটার ওয়াটার সাপ্লাই স্থাপন কাজে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮৯ টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী মেহেদী হাসান।