- সুনামগঞ্জের খবর » আঁধারচেরা আলোর ঝলক - https://sunamganjerkhobor.com -

১৯ কেন্দ্র জবরদখলের আশঙ্কা

বিশেষ প্রতিনিধি
নির্বাচনী প্রচারণার শেষ মুহূর্তে মিছিল-শোডাউনে উত্তেজনা, পোস্টার ছেঁড়ার ঘটনা, কেন্দ্র দখলের আশঙ্কা এসব বিষয় নিয়ে উৎকণ্ঠা রয়েছে ইউনিয়নে-ইউনিয়নে। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নয় ইউনিয়নের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা গত দুই দিনে ১৯ টি কেন্দ্রে জবর দখলের আশঙ্কা ব্যক্ত করে লিখিত আবেদন দিয়েছেন।
এসব কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের মঙ্গলকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নুরুজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাইয়ারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোদীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রঙ্গারচর ইউনিয়নের বনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৃন্দাবননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হরিনাপাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের আটগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মনোহরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মৌখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাধকপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোয়াছুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মদনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় জানিয়েছেন, প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা একে অপরের বাড়ির কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বা কেন্দ্র দখল হতে পারে এমন আশঙ্কা করে লিখিত দিয়েছেন। আমরা যাচাই বাছাই করে ব্যবস্থা নেব।
এদিকে, সুনামগঞ্জ শহরতলির গৌরারং ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছালমা আক্তার চৌধুরী শুক্রবার সকালে তার ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা ফুল মিয়ার বিরুদ্ধে পোস্টার ছেঁড়া এবং তার সমর্থকদের মারপিঠের অভিযোগ করেছেন।
আগামী ২৮ নভেম্বর রবিবার সুনামগঞ্জের সদর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই সবধরনের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ হয়েছে। তাই শেষ মুহূর্তে বিরামহীন প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন সকল চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীরা।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার দুইটি উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১০৬ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে ২১১ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৭৪২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুইটি উপজেলার মোট ভোটার ২ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯৪ জন। দুইটি উপজেলায় ৪ জন করে ৮ জন রিটার্নিং অফিসার নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবেন।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৯ টি ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দুইটি উপজেলায় ১৬ টি ইউনিয়নের ১৬১ টি কেন্দ্রে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ও শুধুমাত্র সদর উপজেলার ১ টি ইউনিয়নের ৯টি কেন্দ্রে ইভিএম এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
অবাধ, সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার।

  • [১]