২০০০ কেজি স্ক্র্যাপ মাল চুরির অপরাধে শ্রমিক বরখাস্ত

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে চুরি করে লৌহজাত স্ক্র্যাপ মালামাল বিক্রি করার সময় হাতে নাতে ধরা পড়ে বরখাস্ত হয়েছে ছাতক সিমেন্ট কারখানার এক শ্রমিক। ঘটনাটি ঘটেছে ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে সুরমানদীর পার সংলগ্ন কারখানার একটি বাসায়। চুরির অপরাধে বরখাস্তকৃত ইউসূফ মিয়া ছাতক সিমেন্ট কারখানার এমটিএস বিভাগের একজন স্থায়ী শ্রমিক।
জানা যায়, অত্যাধুনিক ড্রাই প্রসেস সিমেন্ট কারখানার স্থাপনের কার্যক্রম চলছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে উৎপাদন বন্ধ পুরাতন ওয়েট প্রসেস কারখানাটি প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে বছর খানেক ধরে। এছাড়া অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে কারখানার কোটি—কোটি টাকা মুল্যের লৌহজাত স্ক্র্যাপ মালামাল। ফলে কারখানায় চলছে হরিলুট কারবার। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রতিদিনই স্ক্র্যাপ মালামাল সহ কারখানার বিভিন্ন মূল্যবান যন্ত্রপাতি চুরি হয়ে যাচ্ছে। শ্রমিক ইউসূফ মিয়া সুরমা নদীর তীরবর্তি কারখানার একটি বাসায় বসবাস করে আসছে। কারখানার মূল অংশ থেকে তার বাসা একটু দূরে হওয়ার সুবাদে কারখানা থেকে চুরি করে আনা স্ক্র্যাপ মালামাল নিজ বাসার ছাদে জড়ো করে রাখে। ১৭ সেপ্টেম্বর চুরি করে রাখা প্রায় ২০০০ কেজি লৌহজাত মালামাল ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করার সময় কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক অমল কৃষ্ণ হাওলাদারের হাতে ধরা পড়ে শ্রমিক ইউসূফ মিয়া। বিষয়টি জানাজানি হলে তাৎক্ষণিক শ্রমিক ইউসূফ মিয়াকে বরখাস্ত করেন কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানান, এ ঘটনার আগেই বিভিন্ন অপরাধে শ্রমিক ইউসূফ মিয়া সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় রয়েছে। এক দন্ড থাকা অবস্থায় চুরি করার অপরাধে আবারো বরখাস্তের দন্ডে দন্ডিত হয়েছে শ্রমিক ইউসূফ মিয়া। বিষয়টি অনেকেই আইওয়াশ বলে মনে করছেন। কারখানার প্রভাবশালী এক সিবিএ নেতার স্বজন হওয়ার কারণে ইউসূফ মিয়া বারবার অপরাধ করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। তাকে আইনের আওতায় তুলে না দেয়ায় বিষয়টি নিয়ে তুলপাড় চলছে কারখানা পাড়ায়।