২ শ’ মিটার সড়ক পাকাকরণ না হওয়ায় চলাচলে ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টার
সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের হালুয়ারঘাট, মইনপুর, জগন্নাথপুর ও ইব্রাহীমপুর গ্রামের সড়কে শীত মওসুমে শুরু হওয়া পাকাকরণ কাজ এখনও শেষ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে কিছু অংশ পাকাকরণ না হওয়ায় জন চলাচলে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
সুনামগঞ্জের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের কাজ শুরু হয়েছিল গত বছরের ডিসেম্বরে। কিন্তু ঠিকাদারের অবহেলার কারণে দীর্ঘদিনেও এই সড়কের প্রায় ২শত মিটার পাকাকরণ কাজ শেষ হয়নি। এতে সড়কে চলাচলকারী মানুষ মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছেন।
ইব্রাহীমপুর গ্রামে কবির আহমদের বাড়ির পাশ থেকে এই সড়কের পাকাকরণ কাজ শুরু হয়ে মইনপুর গ্রামের ইমান আলীর বাড়ির পশ্চিম পার্শ্বে গিয়ে শেষ হয়েছে। ইমান আলীর বাড়ি থেকে মইনপুরের কবরস্থান পর্যন্ত প্রায় ২শত মিটার সড়কের পাকাকরণের কাজ এখনও হয়নি। এই কারণে বর্ষা মওসুমে চলাচলকারী মানুষ নানা ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছেন। এই সড়ক পাকাকরণ কাজের দায়িত্ব পান দোয়ারা বাজার উপজেলার ঠিকাদার মিলন কান্তি দাস।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার মিলন কান্তি দাস জানান, গত বছর ডিসেম্বর মাসে এই সড়কের পাকাকরণ কাজ শুরু করে প্রায় শেষ করেছি। সড়কের ১০ ফুট প্রস্থ করে পাকাকরণের কাজ করেছি। আমার কাজের মানও ভাল। তবে প্রায় ২ কিলোমিটার জায়গা পাকাকরণের বাকী রয়েছে। ইতোমধ্যে পাকাকরণ কাজের প্রায় ৬০ লাখ টাকা বিল চেয়েছি। কিন্তু বিল পাইনি। তবুও আমি এই কাজ বর্ষায় দ্রুত শেষ করে দেবো।
ঠিকাদার আব্দুল হানিফ পাকাকরণ করেছেন হালুয়ারঘাট থেকে মইনপুর গ্রামের কবরস্থান পর্যন্ত। এই পাকাকরণ কাজে সড়কের প্রস্থ হয়েছে কোনো স্থানে ৮ ফুট, কোনো স্থানে সাড়ে ৭ ফুট। তিনি জানান, ব্লকের সড়কের উপর ঢালাই করে দেয়া হয়েছে। সড়কের পাশে কোনো কোনো স্থানে মাটিও নেই। তবে মানুষ ও ছোট যানবাহন চলাচলের সুবিধা করে দেয়া হয়েছে।
সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন,‘ইব্রাহীমপুর সড়কের পাকাকরণ কাজ প্রায় ২ শত মিটার বাকী রয়েছে। এই কাজ বালু পাথর পেলে দ্রুত শেষ করে দেয়া হবে।