৮১ জনকে আসামী করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার
দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সংঘর্ষ ও কেন্দ্রীয় নেতাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সুনামগঞ্জ দ্রুত বিচার আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহবুবুল ইসলাম আদালতে দিরাই উপজেলা ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কলিম উদ্দিন বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। এতে দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র মোশারফ মিয়া সহ ৮১ জনকে আসামী করা হয়েছে।
মামলার বাদী কলিম উদ্দিন বলেন, দিরাই সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের উপর আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী নেতাকর্মীরা বিএনপি জামাতের সহযোগিতায় ন্যাক্কারজনক হামলা চালায়। এতে শতশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আজকে আদালতে মামলা দায়ের করেছি। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল আজাদ রোমান জানান, দিরাইয়ে আওয়ামী লীগের সম্মেলন হামলার ঘটনায় ৮১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করলে আদালত মামলাটি এফআইআর গণ্যে আদেশ দেন।
এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী উজ্জ্বল বলেন, দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়েছে। দ্রুত বিচার পিটিশন নং—০৫। আদালত এফআরআইয়ের আদেশ দিয়েছেন। এখন মামলা থানায় যাবে।
প্রসঙ্গত, দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের দিন উত্তর গেট দিয়ে সাবেক পৌর মেয়র মোশারফ মিয়ার নেতৃত্বে তার সমর্থকদের মিছিল ঢুকে। মিছিলটি মঞ্চের কাছাকাছি আসতে থাকলে মঞ্চের আশপাশে থাকা নেতা কর্মীরা এসময় মিছিলকারীদের আটকানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে দুইপক্ষে ধাক্কাধাক্কি লাগে। চেয়ার ছুড়াছুড়ি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। মঞ্চ লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে একপক্ষ। এসময় মঞ্চে থাকা নেতৃবৃন্দ চেয়ার মাথায় ওঠিয়ে নিজেদের রক্ষা করেন। আধাঘণ্টারও বেশি সময় সংঘর্ষ চলাকালে আহত জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খায়রুল কবির রুমেন ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান সেন্টুসহ কমপক্ষে ২০ জন নেতা কর্মী।